মোহনগঞ্জ (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি
নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে কুঁচিরগাঁও মৌজায় ৭ একর ফসলি জমি থেকে বর্ষার পানি বের হওয়ার নালার মুখ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে ওই গ্রামের ১১ জন কৃষকের প্রায় ৭ একর জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে চলতি রোপা আমন মৌসুমে ওই জমিতে আবাদ বন্ধ রয়েছে। সম্প্রতি উপজেলার ১নং বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়নের করমশ্রী গ্রামের সবুজ মিয়া নামে এক কৃষকের বিরুদ্ধে একই ইউনিয়নের পাশের কুঁচিরগাঁও গ্রামের মর্জিনা আক্তার নামে এক বিধবা নারীসহ একই গ্রামের ১১ কৃষকের সই করা একটি লিখিত অভিযোগ উপজেলা ইউএনওর কাছে জমা পড়েছে।
অভিযোগ থেকে জানা গেছে, কুঁচিরগাঁও গ্রামের পাশে ওই গ্রামের ১০-১২ কৃষকের প্রায় ৭ একর ফসলি জমি রয়েছে। ওই জমি তারা পৌষ-মাঘ মাসে বোরো ও শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে রূপা আমন ধান চাষ করেন। জমির পানি বের হওয়ার জন্য একটি নালা রয়েছে। করনশ্রী গ্রামের কৃষক সবুজ মিয়ার জমির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ওই নালার মুখটি এবার তিনি মাটি দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে ৭ একর জমির পানি নামতে না পারায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে জমির মালিক কৃষকরা বিপাকে পড়েছেন।
অন্যদিকে, তাদের ওই জমিতে রোপণ করার জন্য তারা উঁচু এলাকায় তৈরি করা বীজতলাগুলো থেকে যথাসময়ে ধানের চারা তুলতে না পারায় সেগুলোও নষ্ট হচ্ছে। এ অবস্থায় কৃষকরা ইউএনওর সাহায্য চেয়েছেন।
অভিযুক্ত কৃষক সবুজ মিয়া বলেন, পানি নিষ্কাশনের রাস্তা আগে ছিল কুদ্দুস মিয়ার জায়গা দিয়ে। কিন্তু আমাকে না জানিয়েই মেম্বার বকুল মিয়াসহ অন্যারা আমার জায়গায় পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি কালভার্ট নির্মাণ করেছেন। এ কারণে আমি ওই নালার মুখটি বন্ধ করে দিয়েছি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জুয়েল আহমেদ বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কাছে পাঠিয়েছি।
আকাশজমিন/আরআর