ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

দুপুরে দাওয়াত খাইয়ে রাতে যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করলেন ওসি


  • আপলোড সময় : শনিবার ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সময় : ৩:৩৯ পিএম

শরীয়তপুর প্রতিনিধি

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার নাওডোবা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোক্তার বেপারীকে দুপুরে দাওয়াত দিয়ে খাবার খাওয়ানোর পর সমালোচনার মুখে রাতে তাকে গ্রেপ্তার করেছেন শরীয়তপুরের পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পারভেজ আহমেদ সেলিম।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে মোক্তার বেপারীকে জাজিরা উপজেলার নাওডোবা ইউনিয়নের কালু বেপারী কান্দি গ্রামের নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জানা যায়, গতকাল শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে থানার ভেতরে অনুষ্ঠিত মাসিক ভোজের আয়োজন করেন ওসি পারভেজ আহমেদ সেলিম এতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ বিশেষ অতিথি পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সেই ভোজসভায় আমন্ত্রিত ছিলেন নাওডোবা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোক্তার বেপারী। কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতাকে থানার ভেতর আমন্ত্রণ করে খাওয়ানোর ছবি ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক সচেতন মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। সমালোচনা থেকে রেহাই পেতে ভোররাতে মোক্তার বেপারীকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ওসি পারভেজ আহমেদ সেলিম বলেন, আমাদের নিয়মিত ভোজ অনুষ্ঠানে তিনি নাওডোবা বাজার কমিটির সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। পরে জানতে পারি তিনি যুবলীগের নেতা। এরপর সার্কেল স্যারের নির্দেশে তাকে রাতেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ওসি আরও বলেন, মোক্তার বেপারীকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।  জানতে চাইলে শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা যে কাউকে গ্রেপ্তার করতেই পারি, যদি মনে হয় সে কোনো অপরাধের সাথে জড়িত আছে। ওসির বিষয়ে আমরা খতিয়ে দেখতেছি। কেন এমনটা করেছে তা আমরা জানবো। উনি যদি কোনো দোষ করে থাকেন উনার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর