ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

পেনশন দাবি: মরদেহ না নেওয়ার হুঁশিয়ারি পরিবারের


  • আপলোড সময় : সোমবার ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সময় : ৮:৩১ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

নেপালে সাম্প্রতিক জেন জি আন্দোলনে নিহতদের পরিবার ঘোষণা করেছে, শহীদ স্বীকৃতি রাষ্ট্রীয় মর্যাদাসহ বিভিন্ন দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা তাদের প্রিয়জনদের মরদেহ গ্রহণ করবে না। তাদের এই দাবি মধ্যে নিহতদের পরিবারকে সচিব পর্যায়ের পেনশন সুবিধা দেওয়ার দাবিও রয়েছে। নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কির বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে ঘোষণা দেয় তারা।

রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট। এদিকে আন্দোলন সহিংস বিক্ষোভে নিহতদের স্বজন আহতদের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যেই একটি সংগ্রাম কমিটি গঠন করা হয়েছে। রোববার তারা প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কির সরকারি বাসভবন বালুওয়াটারের সামনে জড়ো হয়ে জানান, প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করার অপেক্ষায় আছেন তারা।

 

কমল সুবেদী নামে নিহত এক তরুণের স্বজন বলেন, শনিবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মৌখিকভাবে সমঝোতা হয়েছে। তবে রোববার লিখিত প্রতিশ্রুতি দেওয়ার কথা ছিল। পরিবারগুলোর দাবির মধ্যে রয়েছে সেপ্টেম্বরের বিক্ষোভে নিহতদের শহীদ ঘোষণা করতে হবে, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন করতে হবে এবং শেষকৃত্যের মিছিল রিং রোড প্রদক্ষিণ করবে।

একইসঙ্গে নিহতদের পরিবারকে শুধু তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তাই নয়, সচিব পর্যায়ের সমপরিমাণ পেনশন সুবিধাও দিতে হবে বলেও দাবি করেছেন তারা।

নেপালের সংবাদমাধ্যম বলছে, প্রধানমন্ত্রী কার্কি দায়িত্ব গ্রহণের পর নিহত প্রত্যেককে ১০ লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে পরিবারগুলোর দাবি, নিহতদের আত্মত্যাগের যথাযথ স্বীকৃতির জন্য আরও বিস্তৃত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।


এ সম্পর্কিত আরো খবর