ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসলামী ব্যাংক থেকে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ


  • আপলোড সময় : রবিবার ০৯ নভেম্বর, ২০২৫ সময় : ৩:৩০ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার 

অবৈধভাবে প্রভাব খাটিয়ে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড (আইবিবিএল) থেকে প্রায় সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি ও আত্মসাতের ঘটনায় ৬৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (৯ নভেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় মামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মো. তানজির আহমেদ।

দুদক সূত্র জানায়, ইসলামী ব্যাংক থেকে প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও ব্যক্তি পর্যায়ের একাধিক প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে ঋণ গ্রহণের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছে। তদন্তে দেখা গেছে, ঋণ অনুমোদনের সময় ব্যাংকের নিয়মনীতি ও নিরাপত্তা জামানত সংক্রান্ত নীতিমালা লঙ্ঘন করা হয়েছে।

তদন্তে আরও জানা গেছে, ওই অর্থের বড় অংশ বিভিন্ন নামে প্রতিষ্ঠিত ভুয়া কোম্পানির অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়। পরে এসব টাকা বিদেশে পাচার ও দেশীয় সম্পদ কেনাসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় করা হয়।

দুদক বলছে, এই ঘটনায় ৬৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে, যাদের মধ্যে কয়েকজন ইসলামী ব্যাংকের তৎকালীন কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিও রয়েছেন। এ মামলায় প্রাথমিকভাবে ১০ হাজার ৫০০ কোটি টাকার জালিয়াতি ও আত্মসাতের অভিযোগ আনা হচ্ছে।

এর আগে ২০২৩ সালে ইসলামী ব্যাংকে অর্থ জালিয়াতির অভিযোগ ওঠার পর বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়টি তদন্ত শুরু করে। পরে দুদকও পৃথকভাবে অনুসন্ধান শুরু করে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে প্রাথমিকভাবে আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়ার পর আনুষ্ঠানিক মামলার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।

দুদক কর্মকর্তাদের মতে, এটি দেশের ব্যাংকিং খাতের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ আর্থিক কেলেঙ্কারি। কমিশন বলছে, সরকারি অর্থ বা জনগণের আমানত আত্মসাতের ঘটনায় কেউ ছাড় পাবে না। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং অর্থ উদ্ধারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তদন্তের পরবর্তী ধাপে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের নথি, অ্যাকাউন্ট লেনদেন, ও আর্থিক ট্রেইল যাচাই করা হবে বলে জানিয়েছেন দুদক কর্মকর্তারা।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর