ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জে বেপরোয়া গরু চোরচক্র, আতঙ্কে কৃষক-খামারিরা আজ কমতে পারে তাপমাত্রা, স্বস্তির বৃষ্টির পূর্বাভাস দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আজ বিশেষ সংবাদ সম্মেলন রাশিয়ার হুমকিতে ফ্রান্সের পারমাণবিক ছাতায় ফিনল্যান্ড জাপানে শতবর্ষী প্রবীণের সংখ্যা ১ লাখ ৭ হাজার, ৮৮ শতাংশই নারী মোহাম্মদপুরে মধ্যরাতে পার্কিং করা বাসে আগুন নন্দিগ্রাম-রেজিনগরের উপনির্বাচন মুসলিমদের জন্য পরীক্ষা: শুভেন্দু অধিকারী মিয়ানমার জান্তাকে তথ্য সরবরাহের অভিযোগে তদন্তের মুখে টেলিনর ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে ড্রোন হামলা: স্তব্ধ সৌদির বিশ্বব্যাপী তেল রপ্তানি থানচির বলিপাড়ায় আগুনে ১৩ দোকান ভস্মীভূত

কঙ্গোতে নৌকা উল্টে ১৯ জনের মৃত্যু


কঙ্গোতে হ্রদে নৌকা উল্টে ১৯ জনের মৃত্যু

  • আপলোড সময় : রবিবার ৩০ নভেম্বর, ২০২৫ সময় : ৪:৫৩ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

মধ্য আফ্রিকার দেশ ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) ভয়াবহ নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে ১৯ জন মারা গেছেন। নৌকাটিতে অন্তত ২০০ যাত্রী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধারকাজ এখনও চলছে। দেশটির মাই-নদোম্বে হ্রদে হঠাৎ দমকা বাতাসে নৌকাটি ডুবে গেলে প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মাই-নদোম্বে প্রদেশের গভর্নর।


বার্তাসংস্থা রয়টার্স বলছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে কিরি গ্রাম থেকে রাজধানী কিনশাসার উদ্দেশে যাত্রা করার পর মাই-নদোম্বে হ্রদে নৌকাটি ডুবে যায় বলে স্থানীয় প্রশাসন ও সিভিল সোসাইটি সূত্র জানিয়েছে। মূলত কঙ্গোর গ্রামীণ এলাকাগুলোতে নদীপথই প্রধান যোগাযোগ ব্যবস্থা। তবে নৌযানগুলো অনেক সময়ই পুরোনো ও অর্ধ-ব্যবহারযোগ্য হওয়ায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।
গভর্নর এনকোসো কেভানি লেবন বলেন, ‘শুক্রবার আমরা ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছি। আজ পানিতে ভেসে ওঠা আরও দশজনের মরদেহ পাওয়া গেছে। মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ৮২ জনকে।’

তবে এখনও কতজন নিখোঁজ থাকতে পারেন, তা তিনি নিশ্চিত নন। তিনি জানান, হ্রদে বয়ে যাওয়া দমকা বাতাসে নৌকার দুই ইঞ্জিনের একটি নষ্ট হয়ে যায়। এরপরই নৌকাটি উল্টে যায়।
সরকারের আরেক কর্মকর্তা ফ্রেডি বোনজেকে ইলিকি জানান, নৌকাটিতে অন্তত ২০০ যাত্রী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধারকাজ এখনো চলছে। ইলিকি বলেন, ‘এ ধরনের দুর্ঘটনার পরই বোঝা যায় নৌযানের ধারণক্ষমতা ও যাত্রীসংখ্যা সংক্রান্ত নিয়মগুলো মানা হয় না।’


তিনি আরও জানান, মাই-নদোম্বে হ্রদে অস্থায়ী কাঠের নৌকা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তাব তিনি আগেই দিয়েছিলেন, কিন্তু তা কার্যকর হয়নি। এর আগে গত সেপ্টেম্বর মাসে কঙ্গোর অন্য দুটি এলাকায় নদীপথে পৃথক নৌকাডুবিতে প্রায় ২০০ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন।

 আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর