ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

হাইকোর্টে নির্বাচন সংক্রান্ত রিট শুনানি সোমবার


  • আপলোড সময় : রবিবার ৩০ নভেম্বর, ২০২৫ সময় : ৫:১৬ পিএম

ঢাকা টুডে ডেস্ক 

নির্বাচনে নিবন্ধিত একাধিক দল জোটভুক্ত হলেও ভোট দিতে হবে নিজ দলের প্রতীকে—এই বিধানের বৈধতা চ্যালেঞ্জের রিট শুনানি হবে আগামীকাল সোমবার হাইকোর্টে।

রিটটি জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) মহাসচিব মোমিনুল আমিন দায়ের করেছেন। বিষয়টি আজ রোববার হাইকোর্টে উত্থাপন করা হলে বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ আগামী সোমবার শুনানি দিন ধার্য করেন।

সরকার ৩ নভেম্বর গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন অধ্যাদেশ জারি করে এই নতুন বিধান সংযোজন করে। আগের নিয়ম অনুযায়ী কোনো রাজনৈতিক দল জোটভুক্ত হয়ে নির্বাচনে অংশ নিলে জোটের শরিক যেকোনো দলের প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারত। তবে নতুন সংশোধিত অধ্যাদেশে জোটের শরিক দল হলেও ভোটারেরা তাদের নিজ নিজ দলের প্রতীকে ভোট দেবেন।

রিটে অধ্যাদেশের ৯ অনুচ্ছেদ চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। আবেদনকারীর আইনজীবী আহসানুল করিম ও সহকারী আইনজীবী সাহেদুল আজম রিট উত্থাপন করেন। রিটের প্রার্থনায় উল্লেখ করা হয়েছে, সংশোধন অধ্যাদেশের ৯ অনুচ্ছেদ সংবিধানের ধারা ২৮, ৩৮ ও ৩৯-এর সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় এটি অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না কেন—সেটি জানতে রুল চাওয়া হয়েছে। রুল হলে অধ্যাদেশের ৯ অনুচ্ছেদের কার্যক্রম বিচারাধীন অবস্থায় স্থগিত করার আবেদনও করা হয়েছে।

রিটে বলা হয়েছে, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল জোটভুক্ত হয়ে নির্বাচনে অংশ নিলে জোটের শরিককে যেকোনো দলের প্রতীক ব্যবহার করার অনুমতি দিতে হবে। এই রিটে বিবাদী করা হয়েছে আইনসচিব, নির্বাচন কমিশন ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি)।

নির্বাচন সংক্রান্ত এই বিধানটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি ভোটারদের ভোটাধিকার এবং রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী কৌশলের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বিচারপতিরা রিটের শুনানি করে দেখবেন, সংশোধিত বিধান সংবিধানের মূলনীতি ও ধারা লঙ্ঘন করছে কিনা।

সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক জোটের মধ্যে এই ধরণের বিধান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিএনপি ও জামায়াতসহ কয়েকটি দলের কাছে আরপিওর ২১ ধারা বিশেষ প্রাসঙ্গিক। নির্বাচনী কৌশল এবং ভোটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এই বিধান সংশোধন করা হয়েছে।

শুনানির দিন ধার্য হওয়ার ফলে আগামীকাল সোমবার বেলা সাড়ে তিনটায় হাইকোর্টে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। আদালতের সিদ্ধান্ত ভোটারদের ভোটাধিকার এবং রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী কৌশল প্রভাবিত করতে পারে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর