ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান

আমতলীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তালা, পরীক্ষা বন্ধ


  • আপলোড সময় : বুধবার ০৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ৭:১৯ পিএম

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি।

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি: বরগুনার আমতলী উপজেলায় সরকারি ১৫২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা তালা ঝুলিয়ে পরীক্ষা বন্ধ করে শাটডাউন কর্মসূচী পালন করছেন। বুধবার চতুর্থ দিনও পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। এতে উপজেলার ২৪ হাজার শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন।

জানা গেছে, সহকারী শিক্ষকরা ১১তম গ্রেডসহ বিভিন্ন দাবিতে গত ৮ নভেম্বর থেকে কর্মসূচী পালন করছেন। ১০ নভেম্বর মন্ত্রণালয়ের আশ্বাসে তারা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেন, কিন্তু ১৭ দিন পেরিয়ে গেলেও তাদের দাবি পূরণ হয়নি। গত বৃহস্পতিবার থেকে আবার কর্মসূচি শুরু হয়। সোমবার থেকে চলা বার্ষিক পরীক্ষা তাদের শাটডাউনের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে।

আমতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ সফিউল আলম বলেন, “বিদ্যালয়ে পরীক্ষা নেয়া হয়েছে।” কিন্তু মাঠ পরিস্থিতি অন্যরকম। একে হাই সংলগ্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তালা ঝুলানো দেখা গেছে, শিক্ষার্থীরা বাইরে ছুটছে। গ্রামাঞ্চলের সকল বিদ্যালয়েও পরীক্ষা হয়নি।

অভিভাবক রিপন মুন্সি বলেন, “শিক্ষকরা তালা ঝুলিয়ে দিয়েছ, আমার মেয়ে পরীক্ষা দিতে পারেনি।” প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদুল ইসলাম লিটন ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোঃ রবিউল ইসলাম জানান, “শিক্ষকরা তালা ঝুলিয়ে পরীক্ষা বন্ধ করেছেন, ফলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী দু’পক্ষেই সমস্যায়।”

বরগুনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি একেএম জিল্লুর রহমান জানান, তালা ভেঙে অভিভাবকরা ক্ষুব্ধ হয়েছেন। কিন্তু শিক্ষকরা এখনও কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।

এ পরিস্থিতিতে আমতলী উপজেলায় শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত ও শিক্ষা কার্যক্রম অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সহকারী শিক্ষকদের দাবি পূরণের জন্য দ্রুত সরকারী পদক্ষেপ আশা করছে এলাকাবাসী।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর