সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
অভিযানের সময় চোরাকারবারীরা আটটি বস্তাবন্দি অবস্থায় শামুক ও ঝিনুক পাউবোর উপকূল রক্ষা বাঁধের পাশে রেখে পালিয়ে যায়। বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. ফজলুল হক জানান, সুন্দরবনের এই শামুক ও ঝিনুক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং স্থানীয় জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এগুলো অপরিহার্য।
তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি পাচার চক্র এই শামুক ও ঝিনুককে ভারত এবং থাইল্যান্ডে পাচারের উদ্দেশ্যে পাচার করতে চেয়েছিল। বনকর্মীদের নিয়মিত টহল ও অভিযানই এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড রোধে সহায়ক হচ্ছে। অভিযানের সময় পাচারকারীরা পালিয়ে গেলেও বনকর্মীরা শামুক ও ঝিনুকগুলো উদ্ধার করে সুন্দরবনের নদীতে অবমুক্ত করেন।
রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. ফজলুল হক বনকর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের প্রশংসা করে বলেন, "আমরা প্রতিনিয়ত সুন্দরবনকে রক্ষা করতে সচেষ্ট রয়েছি এবং চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।" এছাড়াও বনবিভাগ জানিয়েছে, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও অবৈধ শিকার ও পাচার প্রতিরোধে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এ ঘটনায় বনবিভাগের তৎপরতা ও অভিযানের ফলে সাম্প্রতিক সময়ে সুন্দরবনে পাচারের হার কিছুটা কমেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বনকর্মীরা বলছেন, এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চালাতে হবে যাতে সুন্দরবনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সম্পূর্ণরূপে রক্ষা পায়।
সুন্দরবন বাংলাদেশের অন্যতম জীববৈচিত্র্যের অঙ্গ এবং বিশ্বঐতিহ্যের অংশ হিসেবে এর রক্ষায় বনবিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তৎপরতা ক্রমাগত বাড়ানো প্রয়োজন।
আকাশজমিন / আরআর