ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান

কৃষকদের ক্ষতির আশঙ্কা

নড়াইলে ৩৭৫ ক্ষুদ্র সার বিক্রেতার লাইসেন্স বাতিল


  • আপলোড সময় : রবিবার ০৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ৯:১৬ পিএম

নড়াইল প্রতিনিধি 

নড়াইল জেলার ৩ শ ৭৫ জন ক্ষুদ্র সার বিক্রেতার লাইসেন্স বাতিলের প্রতিবাদে রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টার দিকে নড়াইল আদালত চত্বরে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন সার ব্যবসায়ীরা। এসময় বক্তব্য রাখেন ক্ষুদ্র সার ব্যবসায়ী সমিতির আহবায়ক শফিকুল আলম, সদস্য সচিব মনোয়ার হোসেন, পুলক কুমার বিশ্বাস, জিয়ারুর রহমান প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ক্ষুদ্র সার বিক্রেতারা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে, নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে প্রান্তিক পর্যায়ে সার ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। তারা কৃষকের দোরগোড়ায় সঠিক সময়ে এবং সঠিক মূল্যে সার পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বর্তমানে ডিলারশীপ বাতিল হলে তারা অসহায় হয়ে পড়বেন। বক্তারা দাবি করেন, প্রজ্ঞাপন বাতিল করে সকল খুচরা সার বিক্রেতার বৈধ আইডি কার্ডের স্বীকৃতি ও ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

লোহাগড়া উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের সাব ডিলার ক্ষুদ্র সার ব্যবসায়ী সমিতির আহবায়ক শফিকুল আলম বলেন, “সরকারের নতুন নীতিমালা বাস্তবায়িত হলে আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হবই, কৃষকরাও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। আমরা সার্বক্ষণিক তাদের পাশে থাকি, মাঠে গিয়ে ফসলের খোঁজ-খবর রাখি। দরিদ্র কৃষকদের বাকি সার বিক্রি করি। আমার কাছে প্রায় ৩০ লাখ টাকার সার কৃষকের বাকি রয়েছে। আমরা রাত-দিন কাজ করি, সকাল ৯-৫ পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। নগদ ছাড়া বিক্রি করি না। নতুন নীতিমালা চালু হলে এসব ক্ষুদ্র ডিলারদের ভূমিকা থাকবে না।”

এ বিষয়ে নড়াইল কৃষি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ আরিফুর রহমান জানান, “বর্তমান ডিলাররা আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত ইউরিয়া ও নন ইউরিয়া সার উত্তোলন ও বিক্রি করতে পারবেন। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী প্রত্যেক পৌরসভা/ইউনিয়নে তিনজন করে ডিলার এবং তাদের ছয়টি বিক্রয় কেন্দ্র থাকবে। এতে সাব-ডিলারদের আর প্রয়োজন হবে না। সরকারের লক্ষ্য হলো ডিলারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং কৃষক যাতে নির্ধারিত মূল্যে সার পান।”

বক্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন, নতুন নীতিমালা বাস্তবায়িত হলে কৃষক ও প্রান্তিক ব্যবসায়ীরা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। বাজারে সার সরবরাহের চেইন ব্যাহত হতে পারে, ফলে খুচরা পর্যায়ে সার বিক্রেতাদের ওপর চাপ তৈরি হবে।

নড়াইলের সার ব্যবসায়ীরা বলছেন, তারা কৃষকদের পাশে থেকে সরাসরি সেবা দেয়। সরকারিভাবে নির্ধারিত মূল্যে সার পৌঁছে দিতে খুচরা বিক্রেতাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ডিলারশীপ বাতিল হলে প্রান্তিক কৃষক এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির সম্মুখীন হবেন।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর