ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান

ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ: লন্ডনে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক


  • আপলোড সময় : সোমবার ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ১:২০ পিএম

লন্ডনে ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ সমাধান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ শান্তি আলোচনায় বসছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই নেতার মধ্যে দুটি বড় ইস্যুতে অচলাবস্থা রয়েছে। এগুলো হলো—১) যুদ্ধের পর ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর আকার, এবং ২) পূর্ব দনবাস অঞ্চলে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, মার্কিন বিশেষ দূত কিথ কেলোগ রয়টার্সকে বলেছেন, “এই দুটি বিষয় সমাধান হলে বাকি সবকিছু সহজেই মিটে যাবে। আমরা লক্ষের প্রায় কাছাকাছি।”

ডাউনিং স্ট্রিট থেকে জানানো হয়েছে, সোমবারের বৈঠকে দুই নেতাশান্তি আলোচনা এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে গভীরভাবে আলোচনা করবেন। তবে বৈঠকের বিস্তারিত বিষয়ে কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। হোয়াইট হাউজ একাধিক ধাপের খসড়া পরিকল্পনার মাধ্যমে কিয়েভ ও মস্কোকে যুদ্ধবিরতির জন্য আনতে চেষ্টা করছে। তবুও এখনও বড় কোনও অগ্রগতি চোখে পড়েনি। এর আগে সপ্তাহান্তে শেষ হওয়া মার্কিন–ইউক্রেন আলোচনার পর জেলেনস্কি বলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

শান্তি পরিকল্পনার প্রাথমিক খসড়া রাশিয়ার প্রতি অতিরিক্ত সুবিধাজনক হওয়ায় ইউক্রেন ও ইউরোপীয় মিত্ররা আপত্তি জানিয়েছিল। পরে পরিকল্পনাটি সংশোধন করা হয়েছে। ইউরোপীয় দেশগুলো নিজেদের প্রস্তাবও উপস্থাপন করেছে, যার মধ্যে রয়েছে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি তদারকির জন্য একটি ইউরোপীয় নিরাপত্তা বাহিনী গঠনের উদ্যোগ। তবে মস্কো এই ধারণা প্রত্যাখ্যান করেছে।

মার্কিন খসড়ার মূল বিষয়গুলো ছিল—নাটোর ভূমিকা সীমিত রাখা, ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর আকারে বিধিনিষেধ আর দনবাসে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা। কিয়েভ ও তার মিত্ররা এখনও এই বিষয়গুলো নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই দুই ইস্যুর সমাধান ছাড়া সম্পূর্ণ শান্তি বাস্তবায়ন কঠিন। ইউক্রেন ও ব্রিটেনের নেতারা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন যাতে যুদ্ধবিরতি ও শান্তি চুক্তি কার্যকর করা সম্ভব হয়।

এদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন। এর উদ্দেশ্য হলো যুদ্ধবিরতি এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীল শান্তি নিশ্চিত করা। যদিও রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনায় বড় অগ্রগতি এখনো হয়নি, তবে মার্কিন পরিকল্পনার সংশোধন এবং ইউরোপীয় সমর্থন আশা জাগাচ্ছে।

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর আকার ও দনবাসে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণের প্রশ্ন সমাধান করা গেলে বাকি বিষয়গুলো দ্রুত মিটে যাবে। কিন্তু এই দুটি ইস্যুতে এখনও অচলাবস্থা রয়ে গেছে, যা বৈঠকের ফলাফলের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর