ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সুপ্রিম কোর্ট নিয়ে মিথ্যা সংবাদে কঠোর সতর্কতা


  • আপলোড সময় : সোমবার ০৫ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৩:৪৭ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

সুপ্রিম কোর্ট নিয়ে কোনো মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বা অসত্য সংবাদ প্রকাশ বা প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানকে আদালত অবমাননার দায় নিতে হবে বলে সতর্ক করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। ভবিষ্যতে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো সংবাদ প্রকাশ বা প্রচারের আগে অবশ্যই সুপ্রিম কোর্টের মিডিয়া ফোকাল পার্সন অথবা রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় থেকে সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতা ও সত্যতা যাচাই করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ভবিষ্যতে সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর কিংবা অসত্য সংবাদ প্রকাশ বা প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আদালত অবমাননাকর কার্যক্রমের জন্য আইনানুগভাবে দায়ভার গ্রহণ করতে হবে। এ বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন জানায়, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেওয়ায় আপিল বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ছুটিতে গেছেন এবং বেঞ্চ না দেওয়ায় হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি ছুটিতে গেছেন—এমন তথ্য টিভি স্ক্রলসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। এসব তথ্য সম্পূর্ণরূপে অসত্য, বিভ্রান্তিকর এবং দুঃখজনক বলে উল্লেখ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ দেশের সর্বোচ্চ আদালত সম্পর্কে জনমনে ভুল ধারণার সৃষ্টি করে এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের মর্যাদা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে। একই সঙ্গে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সম্পর্কে অসত্য তথ্য পরিবেশন করা আদালত অবমাননার শামিল।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের মতে, সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকর্মীরা যদি সংবাদ প্রকাশ বা প্রচারের আগে সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রি থেকে তথ্যের যথার্থতা যাচাই করতেন, তাহলে এমন অনভিপ্রেত পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। ভবিষ্যতে এ বিষয়ে আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে বলা হয়, আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম তার মায়ের অসুস্থতাজনিত কারণে ছুটি গ্রহণ করেছেন। একইভাবে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ফরিদ আহমেদ অসুস্থতাজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি থাকায় সাময়িকভাবে বিচারকার্যে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না। এ দুটি বিষয় গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন আশা প্রকাশ করে জানায়, গণমাধ্যমকর্মীরা পেশাগত দায়িত্ববোধ থেকে ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন এবং সর্বোচ্চ আদালত সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করবেন।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর