অনলাইন রিপোর্টার
বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তাদের জন্য মোবাইল ফোন কেনার সুবিধা নতুন করে নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী ডেপুটি গভর্নররা সর্বোচ্চ এক লাখ ৭০ হাজার টাকার মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। অন্যদিকে, এন্ট্রি লেভেলের কর্মকর্তা সহকারী পরিচালকরা পাবেন ২০ হাজার টাকার মোবাইল ফোন ব্যবহারের সুবিধা।
এই সুবিধা ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে। একইদিনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর সংশোধিত নীতিমালার অনুমোদন দিয়েছেন।
নতুন নীতিমালায় কর্মকর্তা পদ অনুযায়ী সুবিধার বিস্তারিত নিম্নরূপ:
ডেপুটি গভর্নর ও সহকারী পরিচালক – ২০ হাজার থেকে এক লাখ ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।
নির্বাহী পরিচালক – এক লাখ ৩০ হাজার টাকা মূল্যের মোবাইল ফোন বা সমপরিমাণ অর্থ।
পরিচালক – ৭০ হাজার টাকা মূল্যের মোবাইল ফোন।
অতিরিক্ত পরিচালক/সমপর্যায়ের কর্মকর্তা – ৫০ হাজার টাকা।
যুগ্ম পরিচালক – ৩০ হাজার টাকা।
উপপরিচালক – ২৫ হাজার টাকা।
সহকারী পরিচালক – চাকরিতে যোগদানের পরপরই ২০ হাজার টাকার মোবাইল ফোন সেট ব্যবহার করতে পারবেন।
কর্মকর্তারা তাদের পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন কিনে ব্যবহার করতে পারবেন।
নীতিমালা অনুযায়ী কর্মকর্তা প্রতি তিন বছরে একবার নির্ধারিত মূল্যের নতুন মোবাইল ফোন কেনার সুবিধা পাবেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ব্যাংকের মোবাইল ফোন সেট সরবরাহ নীতিমালা প্রথমে ২০১৯ সালে ই-এমডি-২/২০১৯ এর মাধ্যমে জারি করা হয়েছিল। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর এটি সংশোধন করে অনুমোদন দিয়েছেন।
এই নীতিমালার মাধ্যমে ব্যাংকের কর্মকর্তারা প্রফেশনাল ও ব্যক্তিগত প্রয়োজনে উন্নত প্রযুক্তির মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। ব্যাংক কর্মকর্তাদের প্রযুক্তিগত সুবিধা বৃদ্ধি এবং যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের জন্য এই পদক্ষেপকে গুরুত্বপূর্ণ ধরা হচ্ছে।
মোবাইল ফোনের এই সুবিধা শুধুমাত্র ব্যাংকের কর্মকর্তা পদমর্যাদা অনুযায়ী সীমিত; এটি ব্যাংকের অর্থনৈতিক নীতিমালা এবং বাজেটের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা আশা করছেন, এই নতুন নীতিমালা তাদের কার্যক্ষমতা ও যোগাযোগে সুবিধা বৃদ্ধি করবে। পাশাপাশি ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মকর্তা পর্যায়ের কর্মীদের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহারের জন্য সমন্বিত দিকনির্দেশনা স্পষ্ট হয়েছে।
এই নীতিমালার মাধ্যমে ব্যাংকের কর্মকর্তা পদমর্যাদা অনুযায়ী মোবাইল ফোন ব্যবহারের খরচে বৈষম্য হ্রাস করা হয়েছে।
আকাশজমিন / আরআর