ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় পার্টিকে নির্বাচন থেকে বিরত রাখতে রিট


  • আপলোড সময় : বুধবার ০৭ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৩:৪৯ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি (জিএম কাদের), জাতীয় পার্টির (একাংশ) আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও জেপির আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের প্রার্থীদের অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে।

হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ভোলার বাসিন্দা আবদুল্লাহ আল মাহমুদ গত রোববার (৪ জানুয়ারি) এ রিট আবেদন দায়ের করেন। রিটের পক্ষে শুনানি করবেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির।

রিট আবেদনে আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশন সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রিটকারীর আইনজীবী।

রিটে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির জিএম কাদেরের নেতৃত্বাধীন অংশ ২৪৩ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। গত ২৬ ডিসেম্বর গুলশানের লেকশোর হোটেলে দলটির চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী।

অন্যদিকে, জাতীয় পার্টি (আনিসুল ইসলাম) ও জেপির নেতৃত্বে আত্মপ্রকাশ করা নতুন রাজনৈতিক জোট জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট ১১৯ আসনে ১৩১ জন প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এর আগে গত ২৩ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনের বলরুমে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জাতীয় পার্টির নির্বাহী চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নু এসব প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন।

কেন এই রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির বলেন, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট মহাজোট হিসেবে পরিচিত। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে এই মহাজোট মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো গুরুতর অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ওই মহাজোটে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ/ইনু), জাতীয় পার্টি (এরশাদ), জাতীয় পার্টি (মঞ্জু), তরিকত ফেডারেশনসহ মোট ১৪টি দল অন্তর্ভুক্ত ছিল। জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী এসব দলও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিল। সে কারণে সংবিধানের ৬৬(২)(ঙ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এসব দলের প্রার্থীরা নির্বাচনে অযোগ্য বলে গণ্য হবে।

রিটে আরও উল্লেখ করা হয়, গত বছরের ১২ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের যাবতীয় কার্যক্রম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত নিষিদ্ধ করে।

আইনজীবী শাহরিয়ার কবির বলেন, ওই প্রজ্ঞাপনে অঙ্গসংগঠন বলতে আওয়ামী লীগের সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন বলতে ১৪ দল এবং ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বলতে জাতীয় পার্টিকে বোঝানো হয়েছে। তার ভাষায়, ‘ভ্রাতৃপ্রতিম জাতীয় পার্টি সব সময় আওয়ামী লীগের নীতি ও আদর্শকে সমর্থন দিয়ে এসেছে। সে কারণে এই দলের প্রার্থীদের নির্বাচন কমিশন কীভাবে বৈধতা দেয়, তা প্রশ্নবিদ্ধ।’

রিট আবেদনে এসব যুক্তির ভিত্তিতে জাতীয় পার্টি ও সংশ্লিষ্ট জোটের প্রার্থীদের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর