ভোলা-১ আসনের প্রার্থী বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আইনজীবী আন্দালিব রহমান পার্থের ব্যক্তিগত সম্পদের তথ্য প্রকাশ হয়েছে। পার্থের নামে নিজের কেনা কোনো বাড়ি বা জমি না থাকলেও তার পৈতৃক সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশ অংশীদারিত্ব রয়েছে। তার ব্যাংকে জমা রয়েছে সাড়ে ৭৬ লাখ টাকা নগদ এবং স্বর্ণালংকারের পরিমাণ ১০০ ভরি। স্ত্রীর নামে নগদ ও স্বর্ণ রয়েছে যথাক্রমে ১০ লাখ টাকার কাছাকাছি এবং ৬০ ভরি।
আন্দালিব রহমান পার্থ ২০০৮ সালে বিএনপি জোট থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনে জয়ী হন। এবারের নির্বাচনেও তিনি একই আসন থেকে অংশ নিচ্ছেন। মনোনয়নপত্রে জমা দেওয়া হলফনামা ও আয়কর রিটার্ন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পার্থের ব্যাংকে জমা আমানতের পরিমাণ ৬৫ লাখ ৫৯ হাজার ১৭৯ টাকা। তার বার্ষিক আয় ৪১ লাখ ৪১ হাজার ৪৫২ টাকা এবং বার্ষিক ব্যয় ৩৭ লাখ ১৮ হাজার ৭৪৬ টাকা।
নিজের নামে কোনও বাড়ি ও জমি না থাকলেও পৈতৃক সম্পত্তির মধ্যে তিন ভাগের এক ভাগের মালিক তিনি। সঞ্চয়পত্র নেই।
নগদ অর্থের মধ্যে পার্থের হাতে রয়েছে ৭৬ লাখ ৪৯ হাজার ৩৮৯ টাকা এবং স্ত্রীর নামে নগদ ২৬ হাজার ২৯৫ টাকা। ব্যাংকে জমা রয়েছে ৭২ লাখ ১৩ হাজার ৫৪৮ টাকা, স্ত্রীর নামে রয়েছে ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৭০৫ টাকা।
স্বর্ণালংকার ১০০ ভরি এবং স্ত্রীর জন্য ৬০ ভরি রয়েছে। অস্ত্রের মধ্যে একটি এনপিবি রিভলবার ও একটি ২২ বোর রাইফেল রয়েছে।
পার্থের সম্পদ বিবরণ অনুযায়ী, অকৃষি জমি রয়েছে ৪ দশমিক ৪৩ একর, যার মূল্য উল্লেখ করা হয়নি। টাকার অংকে মোট সম্পদের পরিমাণ ২ কোটি ২৩ লাখ ৪১ হাজার ৫০ টাকা। স্ত্রীর নামে রয়েছে ১০ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।
তিনি ব্যবসা থেকে ৭ লাখ ৫২ হাজার ১০৭ টাকা আয় করেন এবং আইন পেশা থেকে বছরে ৩৩ লাখ ৮৯ হাজার ৩৪৫ টাকা আয় করেন।
শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে তার রয়েছে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল। আন্দালিব রহমান ফার্ম অ্যান্ড ফিশারিজ নামে তার ব্যবসায় ব্যাংকে ৩৭ লাখ ৫শ টাকা জমা রয়েছে। এছাড়া ব্রিটিশ স্কুল অব ল-এর নামে ১ লাখ ৫৮ হাজার ১৯২ টাকা ব্যাংকে রয়েছে। রাজনীতির পথে তার বিরুদ্ধে ৮টি মামলা আছে বলে হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে।
আকাশজমিন / আরআর