ফরিদপুরে ঘাস মারার ওষুধ পান করে আজাদ খান (৩২) নামের এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন। সোমবার (১৭ জানুয়ারি) রাত ১২টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহত আজাদ খান ফরিদপুর সদর উপজেলার ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিলমামুদপুর আদেল মাত্তবর ডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত সুনাম উদ্দীন খানের ছেলে।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ জানুয়ারি সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে আজাদ খান তাঁর বড় ভাই তানজিদ খানের সঙ্গে পারিবারিক বিষয়ে অভিমান করেন। এর কিছু সময় পর তিনি বাড়ির পাশের একটি ফাঁকা জায়গায় গিয়ে জমিতে ব্যবহৃত ঘাস মারার ওষুধ পান করেন।
পরে পাশের বাড়ির হাসান শেখ নামের এক যুবক তাঁকে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার করলে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। আজাদের বড় ভাবি সুলতানা ও মেজ ভাবি মোরশেদা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁর অবস্থার অবনতি হলে নিবিড় চিকিৎসা শুরু করেন। তবে রাত ১২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজাদ খান মারা যান।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
কোতোয়ালি থানা পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে, আজাদ খানের মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবার ও স্বজনরা এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
আকাশজমিন / আরআর