ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

সাত বছরের অপেক্ষা শেষে অস্ট্রেলিয়াকে হারাল পাকিস্তান


  • আপলোড সময় : শুক্রবার ৩০ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ১১:০৪ এএম

দীর্ঘ সাত বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে জয় পেল পাকিস্তান। সর্বশেষ ২০১৮ সালের অক্টোবরে অজিদের বিপক্ষে এই ফরম্যাটে জয় পেয়েছিল তারা। এরপর টানা সাত ম্যাচে হারের হতাশা সঙ্গী ছিল। সেই অধ্যায়ের ইতি টানল সালমান আলি আগার নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান দল। বৃহস্পতিবার সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়াকে ২২ রানে হারিয়েছে স্বাগতিকরা।

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান। তবে ইনিংসের প্রথম বলেই ধাক্কা খায় দলটি। ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান গোল্ডেন ডাক নিয়ে ফেরেন। জাভিয়ের বার্টলেটের বলে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। দ্রুত উইকেট হারালেও সাইম আইয়ুব ও অধিনায়ক সালমান আলি আগার ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় পাকিস্তান।

এই দুজন দ্বিতীয় উইকেটে ৭৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে পাকিস্তানকে ভালো অবস্থানে নেন তারা। সাইম আইয়ুব ২২ বলে ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় ৪০ রান করেন। অন্যদিকে সালমান আলি আগা ২৭ বলে ১টি চার ও ৪টি ছক্কায় করেন ৩৯ রান। এই সময় পাকিস্তানের রানরেট প্রায় ১০-এর কাছাকাছি ছিল। তবে এই জুটি ভাঙার পর গতি হারায় ইনিংস।

মাঝের ওভারে ধীরগতির ব্যাটিংয়ে ভুগতে হয় স্বাগতিকদের। বাবর আজম ২০ বলে ২৪ রান করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ফখর জামান ১৬ বলে ১০, উসমান খান ১৪ বলে ১৮ এবং মোহাম্মদ নেওয়াজ ১৪ বলে ১৫ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৬৮ রান।

অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করেন অ্যাডাম জাম্পা। তিনি মাত্র ২৪ রান খরচায় ৪টি উইকেট তুলে নেন। এ ছাড়া জাভিয়ের বার্টলেট ও মাহলি বেয়ার্ডম্যান দুটি করে উইকেট শিকার করেন। তাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের কারণে শেষ দিকে পাকিস্তান বড় স্কোর গড়তে পারেনি।

১৬৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালোই করে অস্ট্রেলিয়া। মাত্র ১.৪ ওভারেই আসে ২১ রান। তবে ম্যাথু শর্টকে ৫ রানে বোল্ড করে ছন্দপতন ঘটান সাইম আইয়ুব। ট্রাভিস হেড ১৩ বলে ২টি চার ও ২টি ছক্কায় ২৩ রান করে আক্রমণের ইঙ্গিত দিলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি।

এরপর একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে সফরকারীরা। ম্যাট রেনশ ১৫, কুপর কনলি রানের খাতা খুলতে পারেননি। মিচেল ওয়েন করেন ৮ এবং জশ ফিলিপ ১২ রান। মাঝের ওভারে নিয়মিত উইকেট হারানোয় চাপ বাড়তে থাকে অস্ট্রেলিয়ার ওপর।

শেষ দিকে ক্যামেরন গ্রিন ৩১ বলে ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন। নবম নম্বরে নেমে জাভিয়ের বার্টলেট ২৫ বলে ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় লড়াইয়ের চেষ্টা করেন। তবে তা হারের ব্যবধান কমানো ছাড়া আর কিছুই করতে পারেনি। অস্ট্রেলিয়া থামে ১৪৬ রানে।

পাকিস্তানের হয়ে বল হাতে দুটি করে উইকেট নেন সাইম আইয়ুব ও আবরার আহমেদ। শাদাব খান ও মোহাম্মদ নেওয়াজ একটি করে উইকেট শিকার করেন। ব্যাটে ও বলে সমান অবদান রেখে ম্যাচসেরা হন সাইম আইয়ুব।

একই ভেন্যুতে আগামী ৩১ জানুয়ারি দ্বিতীয় এবং ১ ফেব্রুয়ারি তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর