ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান

বাউফলে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষে আহত অর্ধশত


বাউফলে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষে আহত অর্ধশত

  • আপলোড সময় : রবিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৯:২৭ পিএম

পটুয়াখালী–২ আসনের বাউফল উপজেলায় জামায়াতের প্রার্থীর মিছিলে বিএনপির হামলার ঘটনায় অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহতদের মধ্যে ২৫ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত মোসা. লিয়া জাহান (২৫), জামাল মৃধা (২২) ও দেলোয়ার হোসেন গাজীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে অধিকাংশই জামায়াতের নেতা-কর্মী।

পটুয়াখালী–২ আসনে ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলাম (মাসুদ) ও বিএনপির প্রার্থী সহিদুল আলম তালুকদারের মধ্যে মূল লড়াই হতে পারে বলে মনে করছে স্থানীয়রা। রোববার সকাল ১০টার দিকে শফিকুল ইসলামের সমর্থকরা মিছিল নিয়ে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করছিল। বেলা একটার দিকে ভান্ডারি বাজার এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে আনোয়ার হাওলাদার ও কালাম হাওলাদারের নেতৃত্বে ৪০-৫০ জন দেশি অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। এতে জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মারধর করা হয় এবং মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়।

পরবর্তীতে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে কমপক্ষে ৪০ জন আহত হন। এছাড়া বিকেল পৌনে চারটার দিকে জামায়াতের কর্মীরা উপজেলা সদর হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ মিছিল বের করে, থানার ওসির প্রত্যাহারের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন। এ সময় বিএনপির সমর্থক শামীম নামের এক ব্যক্তিকে চড়থাপ্পড় দিয়ে মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

জামায়াতের সেক্রেটারি আমিনুল ইসলাম অভিযোগ করেন, ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করার জন্য পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, “ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করা না হলে চন্দ্রদ্বীপে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।”

বাউফল থানার ওসি মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান  বলেন, “পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে থানার সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বিষয়গুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ গুরুত্বসহকারে দেখছে।” উপজেলা সদর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নির্বাচন শুরুর মাত্র কয়েক দিন আগে সংঘর্ষ ও সহিংসতা ভোটগ্রহণকে প্রভাবিত করতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আকাশজমিন / আরআর


এ সম্পর্কিত আরো খবর