ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

ঢাকা–১১ আসনে নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট


  • আপলোড সময় : সোমবার ০৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৫:৫৭ পিএম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–১১ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। নাহিদ ইসলাম এনসিপির আহ্বায়ক। একই আসনের বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী শামীম আহমেদ এই রিট আবেদন করেছেন।

রিটটি গতকাল রোববার দায়ের করা হয় বলে জানিয়েছেন শামীম আহমেদের আইনজীবী মোহাম্মদ মজনু মোল্যা। সোমবার তিনি প্রথম আলোকে বলেন, আগামীকাল মঙ্গলবার রিটটি শুনানির জন্য হাইকোর্টে উপস্থাপন করা হবে। রিট আবেদনে নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতাকে সংবিধান পরিপন্থী ও অবৈধ ঘোষণা করার আবেদন জানানো হয়েছে।

আইনজীবী মোহাম্মদ মজনু মোল্যা অভিযোগ করে বলেন, নাহিদ ইসলাম ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট উপদেষ্টা পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে কমনওয়েলথ অব ডমিনিকার নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, এই নাগরিকত্ব গ্রহণের বিষয়টি তিনি তার নির্বাচনী হলফনামায় গোপন করেছেন। যা বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের ২(গ) ধারার সরাসরি লঙ্ঘন।

রিট আবেদনে বলা হয়েছে, সংবিধানের ৬৬(২)(গ) অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি যদি বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন, তাহলে তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা হারান। নাহিদ ইসলাম ডমিনিকার নাগরিকত্ব গ্রহণ করায় তিনি আইনগতভাবে নির্বাচনের অযোগ্য হয়ে পড়েন। এ অবস্থায় তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা সংবিধান ও আইনবিরোধী সিদ্ধান্ত বলে দাবি করা হয়েছে।

আইনজীবী মজনু মোল্যা আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনকালে নাগরিকত্ব গ্রহণের বিষয়টি গুরুতর অনিয়মের শামিল। এমনকি বিষয়টি গোপন করে হলফনামা দাখিল করায় নির্বাচনী আচরণবিধি ও প্রচলিত আইনও লঙ্ঘিত হয়েছে। এসব কারণে আদালতের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করেন আবেদনকারী।

রিট আবেদনে নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিবাদী করা হয়েছে। আদালত যদি রিটটি গ্রহণ করেন, তাহলে নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে ঢাকা–১১ আসনের নির্বাচনী মাঠে এই রিটকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রার্থিতার বৈধতা প্রশ্নে আদালতের সিদ্ধান্ত নির্বাচন ও প্রার্থী তালিকায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে এমন আইনি চ্যালেঞ্জ নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এখন আদালতের শুনানি ও সিদ্ধান্তের দিকেই নজর সবার।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর