ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৩:০৬ পিএম

বিএনপি মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কোনো সুযোগ নেই। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর এবার জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার বাস্তব সুযোগ তৈরি হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত ১৬ বছর ধরে বিএনপি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন করে আসছে। আসন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের সাংবিধানিক অধিকার ফিরে পাবে বলে দলটি প্রত্যাশা করছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচন যদি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে এটি রাষ্ট্র সংস্কারের একটি বড় সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হবে। এখন পর্যন্ত মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি এবং সামগ্রিক পরিবেশ নির্বাচন উপযোগী বলে তারা মনে করছেন। তিনি বলেন, জনগণের অংশগ্রহণমূলক ভোটই গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাম্প্রতিক ঠাকুরগাঁও সফর স্থানীয় রাজনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যেও নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ বেড়েছে। তিনি দাবি করেন, এবার প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন এবং কোনো পক্ষপাতিত্ব করবেন না।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি প্রতিটি নির্বাচনকেই গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে এবং প্রতিপক্ষকে কখনোই দুর্বল হিসেবে দেখে না। তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াতে ইসলামী কৌশলগতভাবে বিভিন্ন ধরনের প্রচারণা চালাচ্ছে এবং ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তবে বিএনপি নেতিবাচক রাজনীতির পরিবর্তে ইতিবাচক ও গঠনমূলক রাজনৈতিক চর্চায় বিশ্বাসী।

সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপির অবস্থান স্পষ্ট—যাকে খুশি তাকেই ভোট দিন। ভোট দেওয়ার অধিকার সম্পূর্ণভাবে জনগণের। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। তিনি ভোটারদের উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে বলেন, গণতন্ত্র রক্ষার দায়িত্ব সবার।

তিনি আরও বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এই নির্বাচনের ওপর। একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন শুধু সরকার গঠনের পথই সুগম করবে না, বরং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং গণতান্ত্রিক সংস্কারেও ভূমিকা রাখবে। বিএনপি এই নির্বাচনকে দেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখছে।

সংবাদ সম্মেলন শেষে তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর