প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও স্বাধীনতার পর রাষ্ট্র গঠনে সেনাবাহিনীর রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা। সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার প্রতীক। তার মতে, পিলখানার মর্মান্তিক ঘটনা ছিল রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা কাঠামো দুর্বল করার একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা।
তিনি আরও বলেন, ওই ঘটনার পর জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাই আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিরাপত্তা কাঠামো আধুনিক ও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকার এ লক্ষ্যে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।
প্রধানমন্ত্রী শহিদ পরিবারের সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তাদের সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে এবং এ সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
তিনি শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন যেন শহিদ পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ও শক্তি দান করেন। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ন্যায়, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধের ভিত্তিতে পরিচালনার ওপরও জোর দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় শহিদ সেনা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে পিলখানা ঘটনার স্মৃতিচারণ ও শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
আকাশজমিন / আরআর