বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সচিবালয় থেকে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন হওয়া একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। ভবিষ্যতেও প্রয়োজন অনুযায়ী আরও পরিবর্তন আসতে পারে।
এদিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করে নতুন গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমান-কে নিয়োগ দেয়। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ড. আহসান এইচ মনসুরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে নতুন নিয়োগ কার্যকর করা হয়েছে।
সাংবাদিকরা অর্থমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন—গভর্নর পদে এত দ্রুত পরিবর্তনের পেছনে কোনো বিশেষ কারণ রয়েছে কি না। জবাবে তিনি বলেন, বিশেষ কোনো কারণ নেই। এটি প্রশাসনিক কাঠামোর স্বাভাবিক পরিবর্তনের অংশ। তবে তিনি নির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে চাননি।
এর আগে বিভিন্ন মহলে এই পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকিং খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন গভর্নরের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি ও কার্যক্রমে কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এটি রুটিন সিদ্ধান্ত।
বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই গভর্নর পদে পরিবর্তনকে অর্থনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা এখন নতুন নেতৃত্বের কার্যক্রম ও অগ্রাধিকার পর্যবেক্ষণ করছেন।