সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের খতীব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক। সভায় দেশের বিভিন্ন বিভাগ থেকে সংগৃহীত আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনিরের বাজার মূল্যের ভিত্তিতে ফিতরার হার নির্ধারণ করা হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গম বা আটা দ্বারা ফিতরা আদায় করলে অর্ধ সা’ অর্থাৎ প্রায় ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম বা তার বাজার মূল্য ১১০ টাকা প্রদান করতে হবে। যব দ্বারা আদায় করলে এক সা’ বা প্রায় ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা তার বাজার মূল্য ৫৯৫ টাকা দিতে হবে। খেজুর দ্বারা আদায় করলে এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা তার বাজার মূল্য ২৪৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিসমিস দ্বারা আদায় করলে এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা তার বাজার মূল্য ২৬৪০ টাকা এবং পনির দ্বারা আদায় করলে এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা তার বাজার মূল্য ২৮০৫ টাকা ফিতরা দিতে হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, মুসলমানরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী উল্লেখিত পণ্যের যে কোনো একটি বা তার বাজার মূল্য অনুযায়ী সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবেন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পণ্যের খুচরা বাজার মূল্যের তারতম্য থাকায় স্থানীয় মূল্যের ভিত্তিতে ফিতরা পরিশোধ করলে তা গ্রহণযোগ্য হবে।
সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বোর্ড অব গভর্নরস-এর গভর্নর মাওলানা মাহফুজুল হকসহ দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, মুহাদ্দিস ড. ওয়ালিয়ুর রহমান খান, মুফাসসির ড. মাওলানা মোঃ আবু সালেহ পাটোয়ারী, কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া কামিল মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আবুল কাশেম মোঃ ফজলুল হক, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, পেশ ইমাম মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী ও রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ জামে মসজিদের খতীব মাওলানা মহিউদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন আরও জানিয়েছে, রমজান মাস শেষে ঈদুল ফিতরের আগে ফিতরা আদায় করা শরীয়তসম্মত দায়িত্ব। সামর্থ্যবান মুসলমানদের নির্ধারিত হারের মধ্যে থেকে সঠিকভাবে ফিতরা আদায় করার আহ্বান জানানো হয়েছে।