ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সামরিক সক্ষমতা ও আঞ্চলিক প্রভাবের কারণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন দফার পারমাণবিক চুক্তি আলোচনায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার অন্যতম প্রধান বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে।
সেজিল (২,০০০ কিমি)
ইমাদ (১,৭০০ কিমি)
কাদির (২,০০০ কিমি)
শাহাব-৩ (১,৩০০ কিমি)
খোররামশহর (২,০০০ কিমি)
হুভেইজেহ (১,৩৫০ কিমি)
২০২৫ সালের এপ্রিলেও ইরানি সংবাদমাধ্যম ইসনা জানায়, ইসরায়েলে আঘাত হানতে সক্ষম ৯টি ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। এর মধ্যে সেজিল ঘণ্টায় ১৭ হাজার কিমি গতিতে উড়তে পারে।
ইরান বলছে, এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও আঞ্চলিক শত্রুদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক শক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২০২৩ সালে ইরান প্রথম হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করে, যা শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি গতিতে উড়ে, প্রতিহত করা কঠিন। এছাড়া কেএইচ-৫৫ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম এবং পাল্লা ৩,০০০ কিমি।
ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার শুধু দেশীয় নিরাপত্তা নয়, বরং আঞ্চলিক রাজনৈতিক ভারসাম্য এবং আন্তর্জাতিক সমঝোতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পারমাণবিক আলোচনায় ক্ষেপণাস্ত্র বিষয়টি চূড়ান্ত প্রভাব ফেলছে এবং ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।
আকাশজমিন / আরআর