ইরান বিস্ফোরণের পর দেশের আকাশসীমা বন্ধ করেছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরান কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পুরো দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল স্থগিত থাকবে।
ইরানের বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার মুখপাত্র মাজিদ আখভান জানিয়েছেন, নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে দেশের আকাশসীমা বন্ধ রাখা হয়েছে। সাধারণ মানুষকে বিমানবন্দরে না যাওয়ার এবং বিদেশে অবস্থানকারীদের নিজেদের এয়ারলাইনস ও সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে নিয়মিত আপডেট চেক করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা।
এদিকে ইসরায়েলও শনিবার সকালে তাদের আকাশসীমা পুরোপুরি বন্ধ ঘোষণা করেছে। দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উদ্ভূত নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে বেসামরিক বিমান চলাচলে এই বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
তেহরানের উত্তর ও পূর্ব অংশে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলি দেখা গেছে। নিরাপত্তা সূত্র জানাচ্ছে, ইরানের রাজধানী তেহরানে বিস্ফোরণ এবং হামলার কারণে বিমান চলাচলের ওপর সর্তক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
দেশটির বিমানবন্দরগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সকল ফ্লাইট স্থগিত থাকবে। এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। যাত্রীরা তাদের এয়ারলাইনসের মাধ্যমে নিয়মিত তথ্য গ্রহণ করতে নির্দেশ পেয়েছেন।
ইরানের আকাশসীমা বন্ধের সিদ্ধান্ত ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এসেছে। সাম্প্রতিক বিস্ফোরণ ও সামরিক হুমকির পর আকাশসীমা বন্ধ করা নিরাপত্তা জোরদার করার অংশ হিসেবে দেখাচ্ছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বা সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক হামলা থেকে দেশের নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন।
এই অবস্থায় দেশটির নাগরিকদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখছেন। তেহরান ও অন্যান্য শহরে বিস্ফোরণ এবং আকাশসীমা বন্ধের ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি করেছে।