প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। তবে ইন্টারনেট ব্লক ও যোগাযোগের সীমাবদ্ধতার কারণে সঠিক তথ্য সংগ্রহে জটিলতা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি এখনও স্পষ্ট নয় এবং এটি ধারাবাহিক সামরিক অভিযানের অংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
একই সময়ে তেহরানে নতুন করে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানানো হয়েছে। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
এদিকে ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ সম্প্রচারক জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় উত্তর ইসরায়েলে একটি নয় তলা ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে একজন ব্যক্তি সামান্য আহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ভবনটির একটি অ্যাপার্টমেন্টে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও জানা গেছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে উৎক্ষেপণ করা ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত হওয়ার পর দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাইরেন বাজানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও বিমানবাহিনী সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। সেনাবাহিনীর টেলিগ্রাম বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই মুহূর্তে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী হুমকি নিরসনের জন্য যেখানে প্রয়োজন সেখানে প্রতিহত ও হামলার অপারেশন পরিচালনা করছে।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “জনসাধারণকে হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশিকা অনুসরণ করে চলতে বলা হয়েছে।” নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নাগরিকদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে বলা হয়েছে এবং জরুরি নির্দেশনা মানার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনাপ্রবাহ মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলার খবর আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। মানবিক ও কূটনৈতিক পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।
বর্তমান পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল হওয়ায় সঠিক হতাহতের সংখ্যা ও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তথ্য যাচাই ও উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
আকাশজমিন / আরআর