স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, হামলায় বিদ্যালয় ভবনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং অন্তত ৬০ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের হাসপাতালে স্থানান্তর করে।
এই হামলার পর ইরানের সেনাবাহিনী ও ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করেছে বলে জানানো হয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, তারা উপসাগরীয় অঞ্চলে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এর ফলে আরব আমিরাতে একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই সামরিক উত্তেজনা নতুন করে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, বেসামরিক স্থাপনায় হামলার ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা দ্রুত যুদ্ধবিরতি ও সংলাপের আহ্বান জানাচ্ছে।
ইরান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে এবং হামলার বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে। পরিস্থিতি এখনো অস্থিতিশীল থাকায় দেশজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
আকাশজমিন / আরআর