নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভোররাতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকটি পরিবারের চারটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ সময় ঘরে থাকা প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে যায়। গত ২৭ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার রাত ৭ টার সময় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় রাত ৮ টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
স্থানীয় এলাকাবাসীর সূত্রে জানা গেছে, রাত আনুমানিক ৭টার দিকে উপজেলার ভোলাবো গ্রামের আব্দুস সাত্তার মিয়ার বাড়িতে হঠাৎ বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা তীব্রগতিতে ছড়াতে থাকে। এ সময় আশেপাশের আরো কয়েকটি পরিবারের ঘরসহ মোট চারটি ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। একটি দোচালা টিনের ঘর স্হানীয় এলাকাবাসী শাবল ওখুন্তি দিয়ে সরিয়ে ফেলার কারণে পাশের আর কোন ঘরবাড়ি আগুন লাগেনি।স্হানীয়রা পানি ও বালু দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও তীব্রতার কারণে কিছুই রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।
খবর পেয়ে কাঞ্চন ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টার পর রাত ৮ টার দিকে আগুন সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে আনে।অগ্নিকাণ্ডে দুইটি সেমি পাকাঘর ও দুইটি কাঁচা ঘর আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।আগুনের তীব্রতায় ঘরে থাকা আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়, শস্য ও বিভিন্ন গৃহস্থালী সরঞ্জাম সহ প্রায় ১০ লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে যায়।
কাঞ্চন ফায়ার সার্ভিসের ওয়ার হাউস ইন্সপেক্টর মাহফুজার রহমান বলেন,খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অগ্নিকাণ্ডে দুইটি সেমি পাকা ও দুইটি কাঁচা ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়।আসবাবপত্র,জমির দলিল, টাকা, কাপড়চোপড়, শস্য ও বিভিন্ন গৃহস্থালী সরঞ্জাম সহ প্রায় দশ লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে। এলাকাবাসী দ্রুত দুচালা টিনের ঘরটি সরিয়ে নেওয়ার কারনে আরও প্রায় ১০ লাখ টাকার সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।