এনবিসি নিউজের এক প্রতিবেদকের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। তবে ঠিক কতজন কমান্ডার নিহত হয়েছেন কিংবা তাদের পরিচয় কী— সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
এর আগে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়, ইসরায়েলি হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কমান্ডার নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে তেহরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। ফলে নিহতদের বিষয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলায় তেহরানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু হয়েছে বলে জানা গেছে। এতে ইরানের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বকে আঘাত করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন। হামলার পর দেশজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলেও বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির বক্তব্য বিশ্লেষণ করে পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, তেহরান একদিকে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির ইঙ্গিত দিচ্ছে, অন্যদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে— এমন বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে। তার মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, শীর্ষ পর্যায়ে কিছু ক্ষতি হয়ে থাকতে পারে, তবে সেটিকে বড় সংকট হিসেবে দেখছে না ইরান।
আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে। ইরান যদি পাল্টা পদক্ষেপ নেয়, তাহলে তা বড় আকারের সংঘাতে রূপ নিতে পারে। অন্যদিকে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে উত্তেজনা প্রশমনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকেও হামলার ব্যাপারে বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক বিবৃতি এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ফলে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র পরিষ্কার হতে সময় লাগতে পারে। আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।