আন্তর্জাতিক ডেস্ক
করাচিতে পাকিস্তানের মার্কিন দূতাবাসের কাছে বিক্ষোভকারীদের সহিংস হিংসা ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে ৯ জন নিহত এবং অন্তত ১৮ জন আহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ) বিক্ষোভকারীরা ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রতিবাদে মার্কিন দূতাবাসের প্রাঙ্গণে প্রবেশের চেষ্টা করে এবং পাথর নিক্ষেপ শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ অভিযান চালালে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে এবং এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। খবর জিও নিউজের।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীরা এম টি খান রোডের কনস্যুলেটের বাইরে জড়ো হয়ে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা চালায় এবং পাথর নিক্ষেপ করে। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ৯ জন নিহত হন এবং ১৮ জন আহত হন। আহতদের নিকটবর্তী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও রেঞ্জারদের বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎপরতা বাড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে। এতে কিছু বিক্ষোভকারী আহত হয়।
সিন্ধু প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল হাসান করাচির অতিরিক্ত আইজির কাছে ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন তলব করেছেন। তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, “কাউকে আইন নিজের হাতে তুলে নিতে দেওয়া হবে না। প্রদেশজুড়ে সংবেদনশীল স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা আরও জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
এই বিক্ষোভ পাকিস্তানের বৃহত্তম শহর করাচিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা মার্কিন দূতাবাসের বাইরে জড়ো হয়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করে। পরিস্থিতি আরও উত্তেজিত হওয়ায় পুলিশ ও রেঞ্জাররা নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য উপস্থিত থাকে। সংঘর্ষ চলাকালীন দূতাবাসের প্রাঙ্গণ ও আশেপাশের এলাকা সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত রাখা হয়।
এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য পাকিস্তান প্রাদেশিক ও কেন্দ্রীয় প্রশাসন সহকারী দলগুলোকে মোতায়েন করেছে। ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারকে সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।