ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম

ইসরায়েলের তিনটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালালো হিজবুল্লাহ


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ০৩ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৪:০১ পিএম

উত্তর ইসরায়েলের তিনটি সামরিক স্থাপনায় হিজবুল্লাহর হামলার ঘটনা ঘটেছে। লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ তাদের ঘাঁটিগুলোতে ইসরায়েলের আগ্রাসনের জবাবে পালটা হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে। খবরটি নিশ্চিত করেছে মিডল ইস্ট আই।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) হিজবুল্লাহ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের যোদ্ধারা উত্তর ইসরায়েলের রামাত ডেভিড বিমান ঘাঁটি এবং মেরন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। সংগঠনটির বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “লেবাননের ডজনখানেক শহর ও জনপদে ইসরায়েলের অপরাধমূলক আগ্রাসনের জবাবে আমরা এই দুটি ঘাঁটিকে ড্রোনের মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তু করেছি।”

এছাড়া হিজবুল্লাহ তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, অধিকৃত গোলান হাইটসের একটি সামরিক স্থাপনায়ও রকেট হামলা চালানো হয়েছে। তারা দাবি করেছে, এই হামলাগুলো ইসরায়েলের সাম্প্রতিক আগ্রাসনের জবাব হিসেবে করা হয়েছে।

হিজবুল্লাহর পাল্টা হামলার একদিন আগে মঙ্গলবার ভোরের দিকে ইসরায়েল বৈরুতের দিকে সিরিজ হামলা চালায়। বাংলাদেশের সময় অনুযায়ী মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে এই হামলা শুরু হয়। লেবাননের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, একদিনে ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ৫২ জন নিহত এবং দেড়শতাধিক আহত হয়েছে।

হিজবুল্লাহর এই হামলা ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিগুলোর উপর কেন্দ্রিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক মহলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, উভয় পক্ষের এই সামরিক হানাহানি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও খারাপ করতে পারে।

উত্তর ইসরায়েল ও লেবাননের সীমান্ত অঞ্চলে নিয়মিত সংঘর্ষ এবং ড্রোন ও রকেট হামলার ঘটনা ঘটে আসছে। তবে, মঙ্গলবারের হামলা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, কারণ এতে কয়েকটি মূল সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এই ধরনের হামলা আন্তর্জাতিকভাবে বিবেচিত হচ্ছে এক ধরনের বড় নিরাপত্তা সংকট।

এই সংঘর্ষের ফলে স্থানীয় নাগরিকদের মধ্যে আতঙ্ক ও ভয় বৃদ্ধি পেয়েছে। লেবাননের সরকার জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আহতদের চিকিৎসার জন্য। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, হিজবুল্লাহর এই পাল্টা হামলা ইসরায়েলি সামরিক শক্তির সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষের ইঙ্গিত দেয়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যুদ্ধবিরতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কূটনৈতিক উদ্যোগ শুরু করতে পারে।

উভয় পক্ষই এ ধরনের সামরিক হামলা চালানোয় তাদের ন্যায্যতার প্রমাণ দেখাচ্ছে, তবে শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।



এ সম্পর্কিত আরো খবর