ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বসছে এআই ক্যামেরা, আইন ভাঙলেই স্বয়ংক্রিয় মামলা ফ্যাসিস্টরা স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপান সফরে নতুন ৪টি সমঝোতা স্মারক সই পাশাপাশি চার কবরে চিরনিদ্রায় একই পরিবারের চার সদস্য স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪, আহত ৮০ ঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ১৮৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে অংশ নেবে না ন্যাটো


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ০৩ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৬:৩৬ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে জানিয়েছেন, ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপ প্রশংসনীয় হলেও, ন্যাটো সরাসরি এই সংঘাতে অংশগ্রহণ করবে না।

সোমবার (২ মার্চ) ব্রাসেলসে ন্যাটোর সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে রুটে বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যা করছে তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক অস্ত্র অর্জনের সক্ষমতাকে দুর্বল করছে।” তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, “ন্যাটোর এই যুদ্ধে টেনে হিঁচড়ে নামার বা অংশ হওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই।”

তিনি আরও ব্যাখ্যা দিয়েছেন, যদিও জোটগতভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নেই, সদস্য দেশগুলো স্বতন্ত্রভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অভিযানে সহায়তা দিতে পারে। “আমেরিকানরা ইসরায়েলের সঙ্গে যা করছে, তা সক্ষম করার জন্য ব্যক্তিগতভাবে মিত্র দেশগুলো যা করতে পারে তা করতে পারবে, কিন্তু ন্যাটোর অন্য কোনো ভূমিকা থাকবে না,” বলেছেন রুটে।

জার্মান টেলিভিশন এআরডি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “এই ধরনের সামরিক পদক্ষেপ তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র থেকে দূরে রাখতে অত্যন্ত জরুরি।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, ন্যাটো প্রধানত সদস্য দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বড় ধরনের আন্তর্জাতিক সংঘাত এড়াতে এই সাবধানী অবস্থান নিয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ন্যাটোর এই অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে এবং জোটের মূল মনোযোগ অন্য গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল ও নিরাপত্তার কাজে রাখার জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। রুটে সাংবাদিকদের সামনে পুনর্ব্যক্ত করেন, ন্যাটোর লক্ষ্য কেবল সদস্য দেশগুলোর নিরাপত্তা এবং এই মুহূর্তে ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেওয়া ন্যাটোর জন্য কোনো আইনি বা কৌশলগত কারণ নেই।

ন্যাটোর মহাসচিবের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও জোটের স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কার্যক্রমকে সমর্থন দেয়া হলেও, ন্যাটোর সামরিক সীমারেখা নির্ধারণ করে দিয়েছে এবং তাদের কোনো সরাসরি হস্তক্ষেপের পরিকল্পনা নেই।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের বিরুদ্ধে এই ধরনের পদক্ষেপ বিশ্বব্যাপী উত্তেজনা বৃদ্ধি করতে পারে, কিন্তু ন্যাটোর সাবধানী অবস্থান বড় ধরনের সংঘাত এড়াতে সাহায্য করছে। মার্ক রুটের ঘোষণার মাধ্যমে জোটের সদস্য দেশগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে, তারা চাইলে ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতা করতে পারবে, তবে ন্যাটো হিসেবে কোনো আনুষ্ঠানিক সামরিক হস্তক্ষেপ হবে না।

সূত্র: সংবাদ সংস্থা রয়টার্স



এ সম্পর্কিত আরো খবর