ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম

সাইপ্রাসে ইউরোপের তিন দেশের সামরিক পদক্ষেপ


  • আপলোড সময় : বুধবার ০৪ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৩:৪৮ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের ড্রোন হামলার পর ইউরোপের তিনটি দেশ সাইপ্রাসে সামরিক শক্তি মোতায়েন করেছে। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও গ্রিস এই পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসন এবং ইরানের পাল্টা হামলার প্রেক্ষাপটে। খবর রয়টার্সের।

যুক্তরাজ্য একটি যুদ্ধজাহাজ ও হেলিকপ্টার সাইপ্রাসে পাঠাচ্ছে। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, টাইপ-৪৫ শ্রেণির এয়ার ডিফেন্স ডেস্ট্রয়ার এইচএমএস ড্রাগন পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন করা হবে। জাহাজে সি ভাইপার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা রয়েছে, যা একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র একযোগে নিক্ষেপ ও নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। ব্রিটিশ নৌবাহিনীর সঙ্গে দুটি অগাস্টাওয়েস্টল্যান্ড এডাব্লিউ১৫৯ ওয়াইল্ডক্যাট হেলিকপ্টার পাঠানো হচ্ছে, যা ড্রোন হামলা প্রতিরোধে সহায়তা করবে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, সাইপ্রাস ও সেখানে অবস্থানরত ব্রিটিশ সেনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যুক্তরাজ্যের দায়িত্ব।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ফ্রান্সের পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী চার্লস দা গল ভূমধ্যসাগরে মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন। এই জাহাজের সঙ্গে যুদ্ধবিমান ও ফ্রিগেট থাকবে। তিনি জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে ইতিমধ্যে রাফাল যুদ্ধবিমান, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও নজরদারি রাডার মোতায়েন করা হয়েছে। ফ্রান্সের এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য সাইপ্রাসের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি রক্ষা এবং সামরিক সমর্থন নিশ্চিত করা।

গ্রিসও চারটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ও দুটি ফ্রিগেট পাঠিয়েছে। এর মধ্যে একটি জাহাজে সেন্টোরো অ্যান্টি-ড্রোন জ্যামিং সিস্টেম রয়েছে, যা নিচু উচ্চতায় বা সমুদ্রপৃষ্ঠ ঘেঁষে চলা ড্রোন শনাক্ত ও অকার্যকর করতে সক্ষম। গ্রিসের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিকোস ডেনডিয়াস নিকোসিয়া সফরকালে বলেন, “গ্রিস সামরিকভাবে উপস্থিত আছে এবং সাইপ্রাস প্রজাতন্ত্রের প্রতিরক্ষায় যেকোনোভাবে সাহায্য করতে ভবিষ্যতেও থাকবে।”

এই মোতায়েনের মাধ্যমে ইউরোপীয় দেশগুলো সাইপ্রাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাচ্ছে। ড্রোন হামলা প্রতিরোধ, আকাশ প্রতিরক্ষা ও সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধির মাধ্যমে সাইপ্রাসকে সম্ভাব্য হুমকি থেকে রক্ষা করা হবে। সম্প্রতি সাইপ্রাসে ব্রিটিশ বিমানঘাঁটিতে হামলার ঘটনা এবং মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার প্রেক্ষাপট এই পদক্ষেপকে প্রভাবিত করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় দেশগুলোর এই সমন্বিত পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর