বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে মগবাজারস্থ দলীয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বাহ্যিকভাবে গ্রহণযোগ্য মনে হলেও সন্ধ্যার পর থেকে কেন্দ্র দখল, জাল ভোট ও এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ আসে। প্রায় ৫৩টি আসনে দলটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দিয়েছে এবং আইনি লড়াই অব্যাহত রাখবে বলে জানান।
তাহের অভিযোগ করেন, সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান এক বক্তব্যে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিষয় স্বীকার করেছেন—যা তাদের ভাষায় তাকে ‘রাজসাক্ষী’ বানিয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কার যোগসাজশে নির্বাচন প্রভাবিত হয়েছে এবং কারা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবহার করে নির্দিষ্ট দলকে সুবিধা দিয়েছে।
খলিলুর রহমান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের শপথের পর নীতিগতভাবে উপদেষ্টাদের দলীয় রাজনীতিতে না ফেরার কথা ছিল। অথচ খলিলুর রহমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে সেই অঙ্গীকার ভঙ্গ করেছেন বলে জামায়াত দাবি করছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট শিশির মনির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জাহিদুর রহমান।