ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

উপসাগরীয় এলাকায় ২০টি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০৫ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৯:১৯ পিএম

উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে বড় ধরনের হামলার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর্পস (আইআরজিসি)। সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা একযোগে অন্তত ২০টি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।

আইআরজিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়, উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনাকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি দুর্বল করা এবং আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে বার্তা দেওয়া।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, হামলাগুলো ছিল পরিকল্পিত এবং সমন্বিত। আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, কুয়েত, বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়েছে।

উপসাগরীয় অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক সামরিক ও কৌশলগত প্রতিযোগিতার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক সামরিক ঘাঁটি কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থান করছে। এই ঘাঁটিগুলো মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক কার্যক্রম পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, হামলাগুলো তাদের সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শনের অংশ। তারা বলেছে, অঞ্চলে যেসব বিদেশি শক্তি সামরিক উপস্থিতি বজায় রেখেছে, তাদের উদ্দেশ্যেই এই বার্তা দেওয়া হয়েছে।

তবে হামলার ফলে কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা কতগুলো স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে—সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্র বা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই ধরনের হামলার দাবি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু হওয়ার বিষয়টি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

কুয়েত, বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি দীর্ঘদিনের। এসব দেশে মার্কিন বাহিনীর ঘাঁটি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও সামরিক কৌশলের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ধরনের হামলার দাবি আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে নতুন চাপ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আবারও সামনে চলে আসতে পারে।

এদিকে উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহলও ঘটনাটির দিকে নজর রাখছে।

হামলার প্রকৃত ঘটনা, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং এর কৌশলগত প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সামনে এলে পরিস্থিতি আরও পরিষ্কার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর