মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র পুরো বিশ্বের উপকার করেছে বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, এই অভিযানের অগ্রগতি ছিল অসাধারণ এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য কার্যকর। ফ্লোরিডার এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের অভিযান কেবল মধ্যপ্রাচ্যের জন্য নয়, পুরো বিশ্বের জন্য একটি সেবা।’ তিনি এও উল্লেখ করেন, মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে ইরানে নিহত নেতারা ‘অসুস্থ মানুষ’ ছিলেন।
ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, ০ থেকে ১০ এর স্কেলে তাঁর দেশের ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানের অগ্রগতির মান ১৫। এটি স্পষ্ট করে যে, মার্কিন নেতৃত্ব নিজস্ব কর্মকাণ্ডকে অত্যন্ত সফল হিসেবে মূল্যায়ন করছে। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে নেওয়া সিদ্ধান্ত ও হামলার মাধ্যমে ইরানের নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনার ওপর কার্যকর আঘাত হয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই মন্তব্য কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে পারে। এর মধ্যে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বোঝাতে চেয়েছেন যে, মার্কিন পদক্ষেপ শুধু নিজস্ব নিরাপত্তার জন্য নয়, বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য। তবে সমালোচকরা বলেন, যুদ্ধকে বিশ্বকল্যাণের সাথে যুক্ত করা একটি বিতর্কিত দাবি।
ট্রাম্পের মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে পরিচালিত সামরিক অভিযানে ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। তিনি বলেন, ‘এই অভিযান ইরানের সামরিক ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।’ তার মতে, এই পদক্ষেপ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও কূটনীতিকদের নজর কাড়ছে। অনেকেই ট্রাম্পের বক্তব্যকে বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতার দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করছেন। তবে সমালোচকরা মনে করছেন, যুদ্ধকে বিশ্বসেবা হিসেবে দাবি করা বিতর্কিত এবং মানবিক দিক থেকে প্রশ্নবিদ্ধ।