ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

গালফ উপকূলে ‘ডুমসডে প্লেন’, শঙ্কা পারমাণবিক হামলার


  • আপলোড সময় : বুধবার ১১ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৪:৩২ পিএম

যত সময় গড়াচ্ছে যুদ্ধের পরিধি বাড়ার সম্ভাবনা ততই বেড়ে যাচ্ছে। ইরানের সঙ্গে চলা ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এখন পারমাণবিক শঙ্কাও বাড়াচ্ছে। বিশেষ করে আমেরিকার বিশেষ বিমানডুমসডে প্লেনেরআনাগোনা বাড়ায় উদ্বেগও বাড়ছে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক ট্যাবলয়েড পত্রিকা ডেইলি মেইল জানিয়েছে, ফ্লাইট-ট্র্যাকিং তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর কৌশলগত কমান্ড বিমান -৬বি মার্কুরি একাধিকবার আকাশে উড়েছে। ওই দিনই ইরানকে ঘিরে সংঘাত নতুন মাত্রায় পৌঁছায়।

পরিবর্তিত বোয়িং ৭০৭ বিমানের কাঠামোর ওপর নির্মিত এই -৬বি মার্কুরি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে পারমাণবিক হামলার পরিস্থিতিতেও এটি টিকে থাকতে পারে। একই সঙ্গে আকাশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রতিক্রিয়া সমন্বয় করতে পারে। মূলত এটি একটি উড়ন্ত কমান্ড সেন্টার হিসেবে কাজ করে। প্রেসিডেন্ট বা প্রতিরক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে পারমাণবিক অস্ত্রসজ্জিত সাবমেরিন, স্থলভিত্তিক ঘাঁটি এবং স্যাটেলাইটে পৌঁছে দিতে এটি সক্ষম।

গত মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে দুটি -৬বি বিমানের উড্ডয়ন শনাক্ত করা হয়। এর একটি গালফ উপকূল থেকে উড্ডয়ন করে মেরিল্যান্ড ঘাঁটিতে অবতরণ করে। অন্যটি নেব্রাস্কা থেকে উড্ডয়ন করে আবার সেখানেই ফিরে যায়। এরপর আরও কয়েকটি ফ্লাইট আটলান্টিক পেরিয়ে পারস্য উপসাগরের দিকে যাচ্ছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব উড্ডয়ন সম্পর্কে নিরাপত্তাজনিত কারণে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ডিফেন্স মন্ত্রণালয়।

এই বিমানগুলো টেইক চার্জ এন্ড মুভ আউট নামে একটি বিশেষ মিশন পরিচালনা করে। এর উদ্দেশ্য হলোসাধারণ যোগাযোগ ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেলেও পারমাণবিক হামলার নির্দেশ যেন পৌঁছানো সম্ভব হয়। সংকটময় পরিস্থিতিতে এই বিমানগুলো দীর্ঘ সময় আকাশে অবস্থান করে নিরাপদ যোগাযোগ বজায় রাখে।

যদিও ধরনের বিমান প্রায়ই প্রশিক্ষণ বা প্রস্তুতি মহড়ার অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবুও যখন ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে এবং পারমাণবিক ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে, তখন এই মার্কুরি বিমানের সক্রিয় হওয়া শঙ্কা বাড়াচ্ছে।

 


এ সম্পর্কিত আরো খবর