ইরানের হামলায় ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার ভাই ইদ্দো নেতানিয়াহু মারা গেছেন এমন খবর ছড়িয়ে পড়ে। ইরানি গণমাধ্যম তাসনিম নিউজ সোমবার এই সংবাদ প্রচার করে।গণমাধ্যমটি নেতানিয়াহু নিহত হওয়ার বেশ কয়েকটি আলামতও সামনে আনে।
ফেব্রুয়ারিতে
ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি বিমান হামলার পর থেকে নেতানিয়াহু
পরিবারকে নিয়ে নানা ধরনের গুজব
ছড়ানো হয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে দাবি করা হয়
যে, ইরানের হামলায় ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিহত হয়েছেন এবং
তার ভাই ইদ্দো নেতানিয়াহুও
মারা গেছেন। কিছু পোস্টে দাবি
করা হয় ইসরাইলের জাতীয়
নিরাপত্তা মন্ত্রী ইটামার বেন গভারও আহত
হয়েছেন।
তবে,
ইসরাইলের গণমাধ্যম বলছে এসব দাবি
মিথ্যা। বেনিয়ামিন ও ইদ্দো নেতানিয়াহু
উভয়েই নিরাপদ আছেন। ইটামার বেন গভরের আহত
হওয়ার কথাও কোনো সত্যতা
নেই।
ইসরাইলের
বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে হিন্দুস্তান
টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেনিয়ামিন
নেতানিয়াহু ৯ মার্চ আশদোদ
বন্দরে উপস্থিত ছিলেন এবং হামলার পর
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। নেতানিয়াহুর অফিসিয়াল সামাজিক মাধ্যমে জানানো হয়েছে, তিনি ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ অভিযান চলাকালে ইসরাইলের সামুদ্রিক বাণিজ্য সচল রাখার জন্য
পরিদর্শন ও মূল্যায়ন করেছেন।
ইদ্দো
নেতানিয়াহু একজন চিকিৎসক এবং
লেখক। তিনি রেডিওলজি নিয়ে
প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়
থেকে চিকিৎসাশাস্ত্রে শিক্ষা নিয়েছেন। এছাড়া তিনি বেশ কয়েকটি
নাটক ও বই রচনা
করেছেন।
এদিকে
মৃত্যুর গুঞ্জনের মধ্যে প্রকাশ্যে না এসে ইসরাইলের
প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ভিডিওবার্তা দিয়েছেন। যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত নেতানিয়াহু ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কথা বলেছেন। তিনি
বলেছেন, যুদ্ধ করতে তাদের প্রচুর
অর্থ লাগবে। এ জন্য তারা
বিশেষ বাজেট ঘোষণা করতে চান।
নেতানিয়াহু
বলেন, কোনো প্রশ্ন নেই,
আমাদের যুদ্ধ শুরু করতে হতো।
কিন্তু এ ক্ষেত্রে বড়
বিষয়- যুদ্ধে অনেক অর্থ লাগে।
অনেক অর্থ।
ভিডিওবার্তায়
তিনি বলেন, এ কারণে আমাদের
বিশেষ বাজেটের প্রয়োজন। কয়েক বিলিয়ন শেকেল
(ইসরাইলি মুদ্রা) লাগবে প্রতিরক্ষা বাজেটের জন্য, এই যুদ্ধের জন্য।