ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

গভীর রাতে চালক-পথচারীদের মাঝে সাহরি বিতরণ


  • আপলোড সময় : শনিবার ১৪ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৪:৪০ পিএম

পবিত্র মাহে রমজানকে কেন্দ্র করে শেরপুরে এক ব্যতিক্রমী মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন শেরপুর সদর-আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য হাফেজ মোঃ রাশেদুল ইসলাম। রমজানের রাতের সাহরির সময় যারা কর্মব্যস্ততার কারণে ঠিকমতো খাবারের ব্যবস্থা করতে পারেন না—তেমন মানুষদের কথা ভেবেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন তিনি।

১৩ মার্চ শনিবার গভীর রাতে শেরপুর শহরের ব্যস্ততম বিভিন্ন মোড়ে অবস্থানরত ইজিবাইক সিএনজি অটোরিকশা চালক, দূর-দূরান্ত থেকে আসা পথচারী এবং যাত্রীদের মাঝে নিজ হাতে সাহরি বিতরণ করেন সংসদ সদস্য হাফেজ মোঃ রাশেদুল ইসলাম। সময় অনেক শ্রমজীবী মানুষ যাত্রীরা তাঁর এই মানবিক উদ্যোগে আনন্দ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সাহরি বিতরণ কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন পৌর শহর জামায়াতের সহকারি সরক্রেটারি প্রভাষক জাহিদ আনোয়ার, জামায়াতে ইসলামীর অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং স্বেচ্ছাসেবী কর্মীগণ। তারা এমপির সঙ্গে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ঘুরে ঘুরে সাহরি বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে ধরনের উদ্যোগ শহরের মানুষের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। বিশেষ করে পরিবহন চালক রাতের যাত্রীদের জন্য এটি একটি মানবিক সহায়তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সাহরি বিতরণকালে এমপি রাশেদুল ইসলাম বলেন, রমজান মাসে অনেক সময় চালক পথচারীরা কর্মব্যস্ততার কারণে সাহরির সময় ঠিকমতো বাড়িতে বা নিরাপদ কোনো জায়গায় গিয়ে খাবার গ্রহণ করতে পারেন না। ফলে তাদের জন্য রোজা রাখা অনেক সময় কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।

তিনি আরও বলেন, “মানুষের কষ্ট কিছুটা লাঘব করার উদ্দেশ্যেই আমার এই উদ্যোগ। সমাজের শ্রমজীবী কর্মব্যস্ত মানুষদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সবার দায়িত্ব। যতদিন সম্ভব, এই উদ্যোগ অব্যাহত রাখার চেষ্টা করব।”

সময় উপস্থিত অনেক চালক পথচারী এমপির এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এমন মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর