ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৯ বগি লাইনচ্যুত


সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৯ বগি লাইনচ্যুত

  • আপলোড সময় : বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৩:২১ পিএম

বগুড়ার সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়ে যাত্রীরা এবং স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। দুর্ঘটনার ফলে ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে এবং বেশ কিছু হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে সান্তাহারের তিলকপুর এলাকায় নীলসাগর এক্সপ্রেসের এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়দের মধ্যে চিৎকার-গর্জনের শব্দ ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেক যাত্রী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ট্রেনের কয়েকটি বগি মারাত্মকভাবে তলিয়ে গেছে।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, লাইনচ্যুত হওয়া বগিগুলো ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া নীলসাগর এক্সপ্রেসের। যাত্রীদের সাড়া অনুযায়ী, ট্রেন চলার সময় হঠাৎ সঙ্গে সঙ্গে ঝাঁকুনি অনুভূত হয়। ট্রেনের যাত্রীরা জানাচ্ছেন, কিছু সময়ের জন্য তারা বগিগুলোতে আটকে পড়েছিলেন। স্থানীয় লোকজনও তৎক্ষণাৎ উদ্ধারকার্যে এগিয়ে আসে।

রেলওয়ের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, দুর্ঘটনার কারণ যাচাই করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, তিলকপুর এলাকায় রেলপথে কোনো ফাটল বা অব্যবস্থাপনা থাকায় বগিগুলো লাইনচ্যুত হতে পারে। তবে সঠিক কারণ জানতে রেল কর্তৃপক্ষ মাঠপর্যায়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে।

দুর্ঘটনার পরে সান্তাহার রেল স্টেশনে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। উদ্ধারকার্যে রেলওয়ের কর্মী, স্থানীয় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস অংশগ্রহণ করছে। ক্ষতিগ্রস্ত বগিগুলো সরানোর জন্য ক্রেন এবং অন্যান্য যান্ত্রিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে। যাত্রীদের নিরাপদে স্থানান্তর করার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, দুর্ঘটনার সময় অনেক যাত্রী আতঙ্কে ভীত হয়ে পড়েন। কেউ কেউ ট্রেন থেকে ঝাঁপ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন, কিন্তু রেলওয়ে কর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে আরও বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

এ ঘটনায় রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকায় ঢাকা-উত্তরবঙ্গ রুটে যাত্রীদের ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। রেলওয়ের কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ট্রেনের লাইনচ্যুত বগিগুলো সরানো হলে এবং রেলপথ পুনরায় ঠিক করা হলে ধীরে ধীরে রেল যোগাযোগ পুনরায় স্বাভাবিক করা হবে।

উল্লেখ্য, নীলসাগর এক্সপ্রেস বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর মধ্যে একটি। ঢাকা-উত্তরবঙ্গ রুটে এটি প্রতিদিন শত শত যাত্রী পরিবহন করে। এই ধরনের দুর্ঘটনা রেল যাত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তোলে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর