ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে রাজশাহীর পুঠিয়ায় ঈদ উদযাপন


  • আপলোড সময় : শুক্রবার ২০ মার্চ, ২০২৬ সময় : ১১:০৫ এএম

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় ঈদ উদযাপন হয়েছে। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল আটটায় পুঠিয়া পৌরসভার কৃষ্ণপুর গ্রামের কৃষ্ণপুর মুসলিম জামে মসজিদের বারান্দায় ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

নামাজের ইমামতি করেন হাফেজ মো. সাজিরুল ইসলাম। নামাজে মোট ২৩ জন মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে ২১ জন পুরুষ মুসল্লি এবং একজন মেয়ে ও একজন ছেলে শিশু ছিলেন। মুসল্লিরা ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন।

স্থানীয় আবদুর রহিম গাজী জানান, “আমরা নিজেরা নামাজ আদায় করেছি। আমাদের পরিবারের সবাই একসঙ্গে ঈদ উদযাপন করছি।”

ঈদের নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরকে শুভেচ্ছা জানান ও কোলাকুলি করেন। নামাজের পরপরই গ্রামের মানুষ ঘরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। ঈদ উপলক্ষে স্থানীয় কমিটি মসজিদের আঙিনায় এবং আশেপাশে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা করেছে।

প্রতিবছরের মতো এবারও পুঠিয়ায় গ্রামের মানুষ সৌদির সঙ্গে মিল রেখে আগাম রোজা রাখার প্রথা অনুসরণ করেছেন। ঈদ উদযাপনের এই আয়োজন গ্রামের শিশু, যুবক ও বৃদ্ধদের মধ্যে বিশেষ আনন্দের সৃষ্টি করেছে। পরিবারের সদস্যরা সকাল থেকে একত্রে খাবার, মিষ্টি ও বিভিন্ন উপহার বিতরণ করে উৎসবের আনন্দ বাড়িয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পুঠিয়া উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে সকাল থেকে সূচিক্রম অনুযায়ী ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মুসল্লিরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে অংশগ্রহণ করেছেন। এছাড়া নামাজ শেষে গ্রামের সবাই মিলে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের আয়োজন করেছে।

গ্রামের নারী ও পুরুষরা একসঙ্গে ঈদ উদযাপনে অংশ নিয়েছেন। অনেক পরিবার সকাল থেকে প্রস্তুতি নেন, খাবারের আয়োজন করে, নতুন পোশাক পরে ঈদ উদযাপন করেন। শিশুদের জন্য বিশেষ মিষ্টি ও উপহার রাখা হয়েছে।

এবারের ঈদ উদযাপন পুঠিয়ায় শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। গ্রামের মানুষের মুখে হাসি আর আনন্দের ছাপ ছিল চোখে পড়ার মতো। সৌদির সঙ্গে মিল রেখে আগাম রোজা রাখার এই প্রথা স্থানীয়দের মধ্যে ধর্মীয় সচেতনতা ও ঐতিহ্যের প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

পুঠিয়ার মুসলিম সম্প্রদায়ের এই উদযাপন গ্রামের ঐতিহ্য ও সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপনের প্রথা ধরে রাখার একটি উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর