ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

কটিয়াদীতে অগ্নিকাণ্ডে ৫ দোকান ভস্মীভূত


  • আপলোড সময় : বুধবার ২৫ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৮:০৭ পিএম

কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার করগাঁও বাজারে গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৫টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দিবাগত রাতের শেষ ভাগে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গভীর রাতে হঠাৎ আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। বাজারের পাহারাদার বিষয়টি টের পেয়ে চিৎকার শুরু করলে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে কটিয়াদী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি মোকাবিলা করে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় নিকলী ফায়ার সার্ভিসের আরও একটি ইউনিট সহায়তায় যোগ দেয়। প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

অগ্নিকাণ্ডে একটি লেপ-তোষকের দোকান, একটি স্বর্ণের দোকান, একটি কসমেটিক্সের দোকান, একটি সেলুন এবং একটি ওষুধের দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, এতে প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ফায়ার সার্ভিস প্রাথমিকভাবে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৯ লাখ টাকা বলে ধারণা করছে।

স্থানীয়রা ধারণা করছেন, আগের রাতের বৃষ্টি ও দমকা বাতাসের কারণে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অথবা পাশের কোনো দোকানের চুলার আগুন থেকে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। তবে এখনও আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

কটিয়াদী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ মো. রুস্তম আলী জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। নিকলী ইউনিটের সহায়তায় প্রায় দেড় ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

এ ঘটনায় বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ক্ষতিগ্রস্তরা দ্রুত পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসনও পরিস্থিতি নজরদারি করছে এবং ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, যদি পুনরায় এমন অগ্নিকাণ্ড ঘটে, তবে বাজারের বড় ক্ষতি হবে এবং ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ব্যাহত হবে। এ কারণে তারা ভবিষ্যতে আগুন নিয়ন্ত্রণে উন্নত যন্ত্রপাতি ও সতর্কতার ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর