ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একনেকে ১২ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা অপরাধের ধরন পাল্টালেও আধুনিকায়ন হয়নি পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ১৫০টি গ্যাসকূপ খনন ও ৩টি এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে: মাহদী আমিন সিরাজগঞ্জে বেপরোয়া গরু চোরচক্র, আতঙ্কে কৃষক-খামারিরা আজ কমতে পারে তাপমাত্রা, স্বস্তির বৃষ্টির পূর্বাভাস দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আজ বিশেষ সংবাদ সম্মেলন রাশিয়ার হুমকিতে ফ্রান্সের পারমাণবিক ছাতায় ফিনল্যান্ড জাপানে শতবর্ষী প্রবীণের সংখ্যা ১ লাখ ৭ হাজার, ৮৮ শতাংশই নারী মোহাম্মদপুরে মধ্যরাতে পার্কিং করা বাসে আগুন নন্দিগ্রাম-রেজিনগরের উপনির্বাচন মুসলিমদের জন্য পরীক্ষা: শুভেন্দু অধিকারী

দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ ও সরবরাহ স্বাভাবিক


  • আপলোড সময় : শনিবার ২৮ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৩:৩৫ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ ও সরবরাহ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জনগণকে সতর্ক করেছেন যে, আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত পেট্রল, অকটেন বা ডিজেল ক্রয় করা উচিত নয়। শনিবার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের বরাত দিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পেট্রল, অকটেন ও ডিজেল অত্যন্ত দাহ্য পদার্থ। তাই এই ধরনের জ্বালানি তেল মজুদ করা অত্যন্ত বিপজ্জনক। জনগণকে নিজে সাবধান হওয়ার পাশাপাশি অন্যকে সতর্ক করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

অবৈধভাবে তেল মজুদ করার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি জেলায় বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট সক্রিয় রয়েছে এবং অবৈধ মজুদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট জ্বালানি তেল রয়েছে এবং সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সরকার এখনও পর্যন্ত জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করেনি। তাই অতিরিক্ত লাভের আশায় জ্বালানি তেল মজুদ করার কোনো প্রয়োজন নেই। সরকার আন্তর্জাতিক বাজার থেকে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল ক্রয় করছে এবং দেশের তেল সরবরাহ নিশ্চিত করছে। ফলে সরবরাহে কোনো সমস্যা বা ঘাটতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

এছাড়া, খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় দেশের জনগণকে সচেতন করার জন্য বার্তাটি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারের অনুরোধ করেছে। টেলিভিশন চ্যানেল, অনলাইন পোর্টাল, ফেসবুক পেজ এবং প্রিন্ট মিডিয়ায় নিউজ, স্ক্রল ও ফটোকার্ডের মাধ্যমে এই বার্তা জনগণকে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ আরও জানিয়েছে, তেলের অবৈধ মজুদ শুধু নিরাপত্তার জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ নয়, এটি বাজারের স্বাভাবিক সরবরাহ ব্যবস্থাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। তাই জনগণকে সচেতন থাকার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ীই তেল সংগ্রহ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে জনসাধারণ নিশ্চিন্ত থাকতে পারবে এবং পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের ঘাটতি বা মূল্যবৃদ্ধির জন্য আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। নাগরিকদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা যে, জ্বালানি তেলের সরবরাহ দেশের প্রতিটি অঞ্চলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এই সতর্কতামূলক বার্তা জনগণকে নিরাপদ, সচেতন এবং দায়িত্বশীলভাবে জ্বালানি তেল ব্যবহার করার জন্য দিকনির্দেশনা প্রদান করছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যারা আইন না মেনে তেল মজুদ করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর