ডা. শফিকুর রহমান নিজেকে শহীদ পরিবারের সন্তান হিসেবে উল্লেখ করেন এবং স্পিকারের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের নীরব সংযোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আপনি একজন গর্বিত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীরবিক্রম। আমিও ক্ষুদ্র একটি শহীদ পরিবারের সন্তান। মুক্তিযুদ্ধে যারা জীবন দিয়েছেন, আমাদের পরিবারের কয়েকজনের রক্ত দিয়ে তাদের সঙ্গে শরিক হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, বহু সরকার গঠন ও পরিবর্তনের মধ্যেও মানুষের প্রত্যাশার পূর্ণ বাস্তবায়ন এখনো হয়নি। এই বক্তব্যটি সংসদে গণভোট ও জুলাই সনদ সংক্রান্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে দেওয়া হয়েছে।
ডা. শফিকুর রহমানের মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে স্বাধীনতার অর্জন ও জনগণের অধিকার বাস্তবায়নের বিষয়কে পুনরায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, স্বাধীনতার মূল আকাঙ্ক্ষার পূর্ণ বাস্তবায়ন না হওয়া এবং দীর্ঘস্থায়ী সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ এই বক্তব্যকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।
তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, দেশের মানুষের আশা ও প্রত্যাশা এখনো অনেক ক্ষেত্রে পূর্ণ হয়নি, যা আগামী সরকারের নীতি নির্ধারণ এবং দেশব্যাপী উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।