ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

সংসদে বিরোধী দলের ওয়াকআউট


  • আপলোড সময় : বুধবার ০১ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৬:৪৮ পিএম

সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বানকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়টি উত্থাপিত হয়। তবে দীর্ঘ আলোচনা সত্ত্বেও বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত বা সময়সূচি নির্ধারণ না হওয়ায় বিরোধীদল অসন্তোষ প্রকাশ করে সংসদে একযোগে ওয়াকআউট করেছে।

ওয়াকআউটের নেতৃত্ব দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিরোধীদলীয় সদস্যরা সংসদে দাবি জানান, সংবিধান সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকারের স্পষ্ট অবস্থান থাকা প্রয়োজন। তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

বিরোধীদলীয় নেতারা বক্তব্যে বলেন, “সংবিধান সংস্কারের বিষয়টি দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ আলোচনা সত্ত্বেও সরকারের কোনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত না থাকায় আমরা কষ্ট ও হতাশা প্রকাশ করছি। এই পরিস্থিতিতে সংসদে আমাদের ওয়াকআউট একটি সশস্ত্র বার্তা হিসেবে বিবেচিত হবে।” তারা আরও বলেন, জনগণ এবং রাজনৈতিক দলগুলোকে বিষয়টি সম্পর্কে সচেতন করতে ওয়াকআউট অপরিহার্য ছিল।

সংসদে ওয়াকআউটের আগে বিরোধী দল স্পষ্টভাবে দাবি তুলেছে যে সংবিধান সংস্কার দ্রুত কার্যকর করতে হবে এবং সরকারের একটি গ্রহণযোগ্য সময়সূচি ঘোষণা করা উচিত। তারা মনে করেন, এই বিষয়টি অবহেলার কারণে দেশের আইন, শৃঙ্খলা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

অন্যদিকে, সরকারপক্ষের সদস্যরা জানান, সংবিধান সংস্কার নিয়ে আলোচনা এখনও চলমান রয়েছে। তারা আশ্বাস দেন, শিগগিরই একটি গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হবে। সরকারপক্ষ মনে করে, ধৈর্যসহকারে আলোচনার মাধ্যমে সকল পক্ষের মতামত গ্রহণ করে কার্যকর পরিকল্পনা নেওয়া প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংসদে এই ধরনের ওয়াকআউট রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও সহায়ক। তারা উল্লেখ করেন, ওয়াকআউট সরকারের প্রতি একটি চাপ সৃষ্টি করতে পারে যাতে এটি দ্রুত এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আরও বলেন, বিরোধী দলের এই পদক্ষেপ দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গণ্য করা যায়। তারা আশা করছেন, ওয়াকআউটের পর সরকারের সঙ্গে সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধান বের করা সম্ভব হবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর