ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

‘প্রোজেক্ট হেইল মেরি’ সিনেমায় কী আছে?


  • আপলোড সময় : শনিবার ০৪ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৩:১৫ পিএম

বিনোদন ডেস্ক

অ্যান্ডি উইয়ারের বেস্টসেলার সায়েন্স ফিকশন উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে সিনেমা ‘প্রোজেক্ট হেইল মেরি’। ফিল লর্ড ও ক্রিস্টোফার মিলারের পরিচালনায় সিনেমাটি বিশ্বজুড়ে মুক্তি পায় গত ২০ মার্চ। বাংলাদেশেও স্টার সিনেপ্লেক্সে এটি দেখানো হচ্ছে। গত শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে সিনেমাটি দেখেছেন। সিনেমার কাহিনী এবং ভিজ্যুয়াল এফেক্টস নিয়ে দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল বেড়েছে।

সিনেমার মূল কাহিনী মানবসভ্যতাকে বাঁচানোর এক মরিয়া মিশনের গল্প। এতে মহাকাশে এক বিশেষ অভিযানকে কেন্দ্র করে গল্প এগিয়ে যায়। সিনেমাটি ২ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট দীর্ঘ, যেখানে নাসা পৃথিবীকে ভিনগ্রহের অণুজীব থেকে রক্ষার জন্য একটি বিশেষ মিশন পরিচালনা করে। এই ভিনগ্রহের অণুজীব সূর্যের আলো নিভিয়ে দেয়, যার ফলে পৃথিবী শীতল হয়ে যাচ্ছে। দ্রুত শীতল হয়ে যাওয়া পৃথিবী বরফ যুগের মুখে পড়ে।

মানবসভ্যতাকে রক্ষার জন্য ড. রিল্যান্ড গ্রেস নামের একজন জীববিজ্ঞানীকে মহাকাশে পাঠানো হয়। তার চরিত্রে অভিনয় করেছেন রায়ান গসলিং। দীর্ঘ সময় কোমায় থাকার কারণে গ্রেসের চেহারা ও লম্বা চুলের সঙ্গে সিনেমার দৃশ্যে তাকে দেখা গেছে। তার সঙ্গে ‘রকি’ নামের এক ভিনগ্রহের প্রাণীর সাক্ষাৎ হয়। মাকড়সার মতো দেখতে, পাথুরে শরীরের এই প্রাণী কম্পিউটারের মাধ্যমে শব্দ অনুবাদ করতে সক্ষম। সিনেমার গল্প দুই ভিন্ন গ্রহের বাসিন্দার বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার ওপর ভিত্তি করে এগোয়।

চিত্র সমালোচকদের মতে, পরিচালকরা ল্যাবরেটরির গবেষণা, মহাকাশ প্রযুক্তি এবং ধ্বংসের মুখোমুখি থাকা মানবজাতিকে বাঁচানোর প্রক্রিয়াকে সহজবোধ্য ও রোমাঞ্চকরভাবে উপস্থাপন করেছেন। দর্শকরা ২ ঘণ্টা ৩৬ মিনিটের এই ভ্রমণে এক মুহূর্তও বিরক্ত হননি। সিনেমাটি দেখিয়ে দেয় কিভাবে জ্ঞান, বুদ্ধিমত্তা এবং যোগাযোগের মাধ্যমে মানবসভ্যতাকে ধ্বংস থেকে রক্ষা করা সম্ভব।

বিবিসি এবং দ্য গার্ডিয়ানসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সিনেমার চমৎকার রিভিউ প্রকাশিত হয়েছে। সিনেমার ভিজ্যুয়াল, গ্রাফিক্স এবং ভিএফএক্স সমালোচকদের মন কাড়েছে। অনেকেই এটিকে ক্রিস্টোফার নোলানের ‘ইন্টারস্টেলার’-এর কারিগরি দিকের সঙ্গে তুলনা করেছেন। সাধারণ সায়েন্স ফিকশন থিম ধরে রেখে সিনেমাটি বিজ্ঞান ও মহাকাশকে সহজভাবে উপস্থাপন করেছে।

সিনেমার মাধ্যমে মানুষের বিজ্ঞান বিষয়ক কৌতূহল উদ্দীপিত হয়। মহাকাশ ও ইউনিভার্স সংক্রান্ত জটিল গাণিতিক হিসাব, পদার্থবিদ্যা এবং ভর-বেগের বিষয়গুলো অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে তুলে ধরা হয়েছে। গ্রেসের চরিত্রের সঙ্গে ভিনগ্রহের প্রাণীর বন্ধুত্ব সিনেমার প্রধান আকর্ষণ।

সার্বিকভাবে ‘প্রোজেক্ট হেইল মেরি’ বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা সায়েন্স ফিকশন সিনেমা হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে। এটি শুধু বিনোদন নয়, বরং বিজ্ঞান ও মহাকাশ গবেষণার প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যমও।



এ সম্পর্কিত আরো খবর