এএ আজাদ হান্নান, প্রতিনিধি,ঈশ্বরদী ॥
ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব এবং জিয়া সাইবার ফোর্সের ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সদস্য সচিব ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেন সোহাগকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা প্রতিবাদে,আসামি গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে ঈশ্বরদী থানার গেটে অবস্থান কর্মসুচি পালন করা হয়েছে।
বিএনপি,ছাত্রদলের ব্যানার থানার মূল ফটকে টাঙ্গিয়ে এসব কর্মসুচি পালনের নেতৃত্ব দেন, ফারুক হোসেনসসহ যুবদল,ছাত্রদল ও জিয়া সাইবার ফোর্সের সদস্যবৃন্দ ও সাঁড়াগোপালপুর এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার রাতে রাজনৈতিক গ্রুপিংয়ে সৃষ্ট পূর্ব বিরোধের জের ধরে পৌর এলাকার সাড়া গোপালপুরে ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেন সোহাগকে (২৬)কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা।
নিহত সোহাগ উপজেলার বাঘইল মহন্নবীপাড়া গ্রামের এনামুল হকের ছেলে। তিনি উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব এবং জিয়া সাইবার ফোর্সের ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সদস্য সচিব ছিলেন।
শুক্রবার বিকেলে ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা প্রতিবাদে শহরে স্মরণকালের বৃহৎ বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রদল,যুবদল,মহিলাদল ও বিএনপি নেতাকর্মীরা। বিএনপিনেতা ইসলাম হোসেন জুয়েল,আশিকুর রহমান নান্নু, সেন্টু সরদার ঠাকুর জাহাঙ্গীর,যুবদল নেতা জাকির হোসেন জুয়েল,বাবু সরদার,এলবাস কাউন্সিলর,হিরোক সরদার, ফারুক হোসেন,জনি কমিশনার ও টুটুল সরদারের নেতৃত্বে বের করা মিছিলটি শহর প্রদক্ষিণ শেষে টেম্পু স্ট্যান্ডে এক পথ সভায় মিলিত হয়ে ২৪ ঘন্টার মধ্যে সন্ত্রাসী খুনিদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানিয়ে জাকির হোসেন জুয়েল বলেন, ইমরান হোসেন সোহাগ হত্যার পেছনে ঈশ্বরদী থানার ওসির গাফিলতি ও মামলা না নেওয়ার অভিযোগ তুলে বক্তব্য দেন।
তিনি বলেন এসব গাফিলতির কারণেই প্রতিপক্ষ গ্রুপের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের ইন্দনে সোহাগকে হত্যা করা সম্ভব হয়েছে । এই কর্মসুচি শেষ না হতেই আজ শনিবার ঈশ্বরদী থানার সামনে গেটে ব্যানার লাগিয়ে অবস্থান কর্মসুচি পালন করা হয়। ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ধারালো অস্ত্রের আঘাতেই তার মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকান্ডে জড়িতদের সনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চলছে এবং প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।