আন্তর্জাতিক ডেস্ক
হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে গত কয়েক সপ্তাহে ইরানকে বারবার আলটিমেটাম বা সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি ইরান তা মানে না, তবে দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালানো হবে।
ইরান বারবার স্পষ্ট করেছে, তারা ট্রাম্পের হুমকির কাছে মাথা নত করবে না। এছাড়া হরমুজ প্রণালি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এবং এ দুই দেশের মিত্র ছাড়া অন্যদের জন্য খোলা রয়েছে। হামলা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এই প্রণালিতে এসব দেশের জাহাজ চলাচল করতে পারবে না।
এই পরিস্থিতিতে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ট্রাম্পের সর্বশেষ আলটিমেটামের মধ্যে ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে না দিলে তিনি হুমকি অনুযায়ী অবকাঠামোতে হামলা শুরুর নির্দেশ দেবেন।
নিচে ট্রাম্পের দেওয়া আলটিমেটামগুলো পয়েন্ট আকারে তুলে ধরা হলো—
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই ধারাবাহিক আলটিমেটামগুলো পারস্য উপসাগরের স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ইতিমধ্যেই বাড়তে শুরু করেছে এবং অঞ্চলটিতে সামরিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।
ইরানের প্রতিক্রিয়া দৃঢ়। তারা বারবার জানিয়েছে, হুমকি অনুযায়ী তাদের চলমান নীতি পরিবর্তন করবে না। হরমুজ প্রণালি মূলত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি বৈশ্বিক তেলের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
সূত্র: বিবিসি