ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জে বেপরোয়া গরু চোরচক্র, আতঙ্কে কৃষক-খামারিরা আজ কমতে পারে তাপমাত্রা, স্বস্তির বৃষ্টির পূর্বাভাস দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আজ বিশেষ সংবাদ সম্মেলন রাশিয়ার হুমকিতে ফ্রান্সের পারমাণবিক ছাতায় ফিনল্যান্ড জাপানে শতবর্ষী প্রবীণের সংখ্যা ১ লাখ ৭ হাজার, ৮৮ শতাংশই নারী মোহাম্মদপুরে মধ্যরাতে পার্কিং করা বাসে আগুন নন্দিগ্রাম-রেজিনগরের উপনির্বাচন মুসলিমদের জন্য পরীক্ষা: শুভেন্দু অধিকারী মিয়ানমার জান্তাকে তথ্য সরবরাহের অভিযোগে তদন্তের মুখে টেলিনর ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে ড্রোন হামলা: স্তব্ধ সৌদির বিশ্বব্যাপী তেল রপ্তানি থানচির বলিপাড়ায় আগুনে ১৩ দোকান ভস্মীভূত

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ


  • আপলোড সময় : সোমবার ০৬ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৪:৩৪ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতের বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী প্রেস উইং থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, এটি ছিল একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের পাঠানো ছবিতে দেখা যায়, ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা প্রধানমন্ত্রীকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বই এবং একটি শোপিস উপহার হিসেবে দিয়েছেন।

সাক্ষাতে উভয়পক্ষের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ লক্ষ্য করা গেছে। দুই দেশের কূটনৈতিক ও পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করে উভয় নেতা সাক্ষাৎ শেষ করেছেন। যদিও সাক্ষাতের মূল আলোচনার বিষয় প্রকাশ করা হয়নি, তবে কূটনৈতিক মহলে মনে করা হচ্ছে এটি ছিল দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার অংশ।

এ জাতীয় সাক্ষাৎগুলো প্রায়শই আন্তর্জাতিক কূটনীতি এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক এবং সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য এই ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎ সমান্তরাল প্রভাব ফেলতে পারে।

সাক্ষাতের পর দুই পক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি, কিন্তু সূত্রের খবর অনুযায়ী, দুই দেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের প্রসঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলোচনা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ নিয়মিত কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎ দেশগুলোর মধ্যে বন্ধুত্ব, সহযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ নীতি নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎ দুপক্ষের মধ্যে আস্থা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক উদ্যোগ গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করে।

সাক্ষাতের সময় উপস্থিত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুই পক্ষের মধ্যে উষ্ণতা এবং আন্তরিকতার পরিবেশ বিরাজ করছিল। প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপহার হিসেবে প্রদত্ত বইটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা এবং এটি সাংস্কৃতিক বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে প্রদান করা হয়েছে।

উল্লেখযোগ্য যে, এই সাক্ষাৎ বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারের প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এমন একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ। এর ফলে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ঢাকা সচিবালয় সূত্রে জানা যায়, ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে আরও উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক এবং কূটনৈতিক আলোচনা হতে পারে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর