ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

সাতক্ষীরায় অভয়ারণ্য এলাকা থেকে সাত মৌয়াল আটক


  • আপলোড সময় : সোমবার ০৬ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৬:২৬ পিএম

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের নিষিদ্ধ ঘোষিত অভয়ারণ্য এলাকায় ঢুকে মধু সংগ্রহ ও মাছ শিকারের অভিযোগে সাতজন মৌয়ালকে আটক করেছে বন বিভাগ। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় রেঞ্জের নোটাবেকী অভয়ারণ্য এলাকার রায়মঙ্গল নদী থেকে তাঁদের আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন, শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের চাঁদনীমুখা গ্রামের মাজেদ গাজী (৬১), হযরত আলী গাজী (৫০), মাকছুদুল গাজী (৫৭), মুকুল হোসেন (৪৫), আব্দুল মান্নান (৫০), ওমর ফারুক (৩৬) ও আসাদুল ইসলাম (৫২)। বন আইনে মামলা দিয়ে তাঁদের গতকাল শনিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্মার্ট পেট্রোল টিম ও নোটাবেকী অভয়ারণ্য কেন্দ্রের বনপ্রহরীরা যৌথ অভিযান চালান। এ সময় একটি নৌকাসহ ওই সাতজনকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশনে নিয়ে আসা হয়।

নোটাবেকী অভয়ারণ্যের বনপ্রহরী আহসান হাবীব বলেন, “নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ওই মৌয়ালরা অভয়ারণ্যে ঢুকে মধু সংগ্রহ ও মাছ শিকার করছিলেন। হাতেনাতে তাঁদের আটক করা হয়েছে।”

তবে আটক মৌয়াল হযরত আলী গাজীর দাবি, তাঁরা বৈধ পাস (অনুমতিপত্র) নিয়েই ১ এপ্রিল বনে ঢুকেছিলেন। মধু সংগ্রহের একপর্যায়ে পথ ভুলে তাঁরা অভয়ারণ্য এলাকায় ঢুকে পড়েন। সেখান থেকে কোনো মধু সংগ্রহ বা মাছ শিকার করা হয়নি বলে দাবি তাঁদের।

উল্লেখ্য, সুন্দরবনের নির্দিষ্ট কিছু এলাকাকে বন্যপ্রাণীর প্রজনন ও সংরক্ষণের জন্য ‘অভয়ারণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে সাধারণের প্রবেশ এবং মধু বা মাছ সংগ্রহ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর