ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

কলারোয়ায় ৩টি ক্লিনিক ও ২টি এক্সরে সেন্টার বন্ধের নির্দেশ


  • আপলোড সময় : সোমবার ০৬ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৬:৩৫ পিএম

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বিভিন্ন অনিয়ম ও সঠিক কাগজপত্র না থাকায় আকস্মিক পরিদর্শন করে পাঁচটি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন সিভিল সার্জন ডাক্তার আব্দুস সালাম। এ অভিযানের ফলে তিনটি ক্লিনিক ও দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

বন্ধ হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো:

  1. কলারোয়া গয়ড়া বাজারের ডাক্তার রমজান আলীর আছিয়া মেমোরিয়াল ক্লিনিক
  2. ডাক্তার কবিরুল ইসলামের মায়ের হাসি ক্লিনিক
  3. কলারোয়া পৌর সদরের জনসেবা ক্লিনিক
  4. কলারোয়া গরু হাটখোলা মোড়ের দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার

কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার শফিকুল ইসলাম জানান, পরিদর্শনের সময় বিভিন্ন অনিয়ম এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের অভাব ধরা পড়ায় সিভিল সার্জন এই সিদ্ধান্ত নেন।

সিভিল সার্জন বলেন, “চিকিৎসা সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে নিয়ম কানুন মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। নিয়ম অমান্যকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে যাতে রোগীদের নিরাপদ ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা যায়।”

উপজেলার সাধারণ জনগণ সিভিল সার্জনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, স্বাস্থ্য সেবা খাতের নিয়মিত নজরদারি এবং অনিয়ম নির্মূল করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিছু ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার মানসম্মত সেবা না দিলে রোগীদের ক্ষতি হতে পারে।

এদিকে, বন্ধ হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকরা দাবি করেছেন, তারা কিছু কাগজপত্র শীঘ্রই পূরণ করে স্বাস্থ্য বিভাগকে দেখাবেন। তবে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও মান নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় খোলা যাবে না।

কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তারা জানান, ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান চালিয়ে স্বাস্থ্য সেবা খাতের মান বজায় রাখা হবে। জনগণ যাতে সুরক্ষিত ও মানসম্মত চিকিৎসা পায়, তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসন সব সময় সক্রিয় থাকবে।

স্থানীয়রা বলেন, “সিভিল সার্জনের হঠাৎ অভিযান স্বাস্থ্য সেবা খাতের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করবে। যারা নিয়ম অমান্য করে সেবা দেয়, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

আকাশজমিন / আরআর 



এ সম্পর্কিত আরো খবর